Views Bangladesh Logo

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা চাইল আইএইএ প্রধান

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি “অত্যন্ত শক্তিশালী যাচাই ব্যবস্থা” চালু করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি। শুক্রবার (২৬ জুন) টাইমস অব ইসরায়েল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গ্রোসি বলেছেন, ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে আইএইএর পূর্ণ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো—ইরান যেন পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে আশঙ্কা প্রকাশ করে আসছে যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হতে পারে। তবে ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তেহরানের দাবি, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত।

গ্রোসি বলেন, ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরির ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছে, তবে তা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত একটি শক্তিশালী যাচাই ব্যবস্থা চালু করা দরকার। তিনি বলেন, আইএইএর কাজ কারও উদ্দেশ্য বিচার করা নয়, বরং বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করা। শুধু মৌখিক আশ্বাস যথেষ্ট নয়।

গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের কয়েকটি পরমাণু স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আইএইএ এখনো ওই স্থাপনাগুলোতে প্রবেশের অনুমতি পায়নি। হামলার পর ইরান আইএইএর সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করেছিল। পরে সেপ্টেম্বরে আবার পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দেয়।

এরপর আইএইএর কর্মকর্তারা কয়েকটি স্থাপনা পরিদর্শন করলেও হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া স্থাপনাগুলো এবং ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সম্পর্কে পূর্ণ তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদি বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনা ও উপকরণে প্রবেশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির কাঠামোর মধ্যে আলোচনা করা হবে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ওপর জাতিসংঘের পরিদর্শন কার্যক্রম নির্ভর করবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ