Views Bangladesh Logo

তীব্র গরমে পানি ও লবণশূন্যতা রোধে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করবেন যেভাবে

দেশজুড়ে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। ঢাকা ও রাজশাহীসহ দেশের পাঁচটি বিভাগে ছড়িয়ে পড়া এই চরম আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে বহুগুণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সময়ের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো ‘হিটস্ট্রোক’ এবং শরীরে ‘ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা’। সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সতর্কতা অবলম্বন না করলে এই পরিস্থিতি এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে।

সাধারণত প্রচণ্ড গরমে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়। এতে শরীরে সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি দেখা দেয়। এর ফলে মাংসপেশিতে টান লাগা, তীব্র ক্লান্তি, মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব ও হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া ও কিডনিতে সংক্রমণের ঝুঁকিও তৈরি হয়।

এজন্য শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইটের ঘাটতি পূরণে পুষ্টিবিদরা বিশেষ কিছু খাবারের পরামর্শ দিয়েছেন। যেমন:

​১. ডাবের পানি:
প্রাকৃতিক স্যালাইন হিসেবে পরিচিত কচি ডাবের পানি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় লবণে সমৃদ্ধ। এটি ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখতে জাদুর মতো কাজ করে।

২. টক দইয়ের লাচ্ছি বা ঘোল:
প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ টক দই শরীরে অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়া রোধ করে। দইয়ের ফাইবার শরীরে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং লাচ্ছি হিসেবে পান করলে এটি তাৎক্ষণিক প্রশান্তি দেয়।

৩. ৫০০ মিলিলিটার ফলের রস:
সারা দিনে অন্তত ৫০০ মিলিলিটার তাজা ফলের রস পানের অভ্যাস করুন। তরমুজ, বেল, পেঁপে, আনারস বা মাল্টার রস ভিটামিন ও খনিজের বড় উৎস, যা পেশির কর্মক্ষমতা সচল রাখে।

৫. বিশুদ্ধ পানি ও সতর্কতা:
তৃষ্ণা না পেলেও বিরতি দিয়ে পানি পান করুন। তবে ফ্রিজের অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলাই ভালো; কারণ এটি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রার সামঞ্জস্য নষ্ট করতে পারে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ