কলকাতা বিমানবন্দরে হাই অ্যালার্ট
ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ আবহে কলকাতা নেতাজি সুভাস চন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জারি হল হাই অ্যালার্ট। সংলগ্ন এলাকাগুলোতেও নজরদারি আরও কড়া করেছে পুলিশ ও নিরাপত্তা প্রশাসন।
ভারতের ব্যুরো অব সিভিল অ্যাভিয়েশন সিকিউরিটির (সিআইএসএফ) নির্দেশিকা অনুসারে নিরাপত্তার যাবতীয় বন্দোবস্ত করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের সুরক্ষা নিয়ে শুক্রবার (৯ মে) ভিডিও কনফারেন্স করেন সিআইএসএফের ডিসি। বৃহস্পতিবারও (৮ মে) বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক ও বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তাদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সংস্থাটির ডিআইজি।
শনিবার (১০ মে) দিনভর চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছেন সশস্ত্র জওয়ানরা। আরও অনেক ক্যামেরা বসানো হয়েছে বিমানবন্দর চত্বরে। বিমানবন্দরের ভেতরে ঢোকা গাড়িগুলো খুঁটিয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হচ্ছে। যাত্রীদের ফ্লাইটের তিন ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে বলা হয়েছে। দেড় ঘণ্টা আগেই গেট বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। যাত্রীদের ব্যাগ স্ক্রিনিং করা হচ্ছে নিখুঁতভাবে। তাদেরকে ওঠানোর আগে উড়োজাহাজগুলোতে দফায় দফায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
বাতিল করে দেয়া হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে কর্মরত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ছুটি। যারা ছুটিতে ছিলেন, তাদেরকেও শিগগিরই ফিরে আসতে বলা হয়েছে। এক হাজারেরও বেশি সিআইএসএফ কর্মী বাড়ানো হয়েছে। বিমানবন্দরের আশেপাশে কোনো ড্রোন বা হট এয়ার বেলুন উড়ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখছেন তারা।
ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা বেড়েছে ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগাঁও-এ সন্ত্রাসী হামলার পর থেকেই। পাকিস্তানে ভারতের অপারেশন সিঁদুরের পর পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে। দেশের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে