সাদা পাথর লুট রোধে আইনি ব্যবস্থা নিতে রিটের শুনানি রোববার
সিলেটের কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর লুটের ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। রিটে সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনে নির্দেশনার আরজি জানানো হয়।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীর এ কে এম নূরুন নবী বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) হাইকোর্টে রিটটি উপস্থাপন করেন। রোববার (১৭ আগস্ট) শুনানির দিন ধার্য করেছেন বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি সৈয়দ জাহেদ মনসুরের হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানির দিন ধার্য করে আদেশ দেন।
রিটে ঘটনা তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ারও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এতে স্বরাষ্ট্রসচিব ছাড়াও পরিবেশ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) ১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। রিটে সাদা পাথর লুটে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, সে মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ‘সাদা সোনা’ খ্যাত দেশের শীর্ষ পর্যটনকেন্দ্র ভোলাগঞ্জে সাদা পাথর অবাধে লুটপাট চলার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে তোলপাড় চলায় এ নিয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
রিটে অভিযোগ করা হয়েছে, এক বছরে কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পাথর উত্তোলন করা হয়। সম্প্রতি ওই অঞ্চলের প্রায় সব সাদা পাথর লুট করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সামনে দিনে-দুপুরে এসব পাথর তোলা হয় এবং প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে অভিযোগ তুলে রিটে বলা হয়েছে, প্রশাসনের এই নিষ্ক্রিয়তা ও প্রভাবশালীদের লাগামহীন লুটপাটে হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে অপূর্ব প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থান সাদা পাথরসহ সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে