সোনাদিয়া দ্বীপে ইকো-ট্যুরিজম পার্কের কার্যক্রম স্থগিত
কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার শর্তে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেজা) দেওয়া ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমির বরাদ্দ সংক্রান্ত চুক্তির কার্যকারিতা ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্থগিত করা হয়েছে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক উন্নয়নের কার্যক্রমও।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) আদেশ দেন।
এছাড়া সোনাদিয়া দ্বীপে বরাদ্দকৃত ওই জমিতে গাছকাটাসহ অন্যান্য বিষয়ে পরিবেশের যাবতীয় ক্ষতি নিরূপন করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পরিবেশ সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে সোনাদিয়া দ্বীপে ইকো-ট্যুরিজম পার্ক গড়ে তোলার শর্তে বেজাকে দেওয়া ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমির বরাদ্দ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। পরিবেশ সচিব, বেজা, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
সোনাদিয়া ইকো-ট্যুরিজম পার্ক মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া, বিজয় একাত্তর ও সমুদ্র বিলাস মৌজায় অবস্থিত। মোট জমির পরিমাণ ৯ হাজার ৪৬৭ একর। বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বেজা টেকনাফ ও মহেশখালী উপজেলায় মোট ১১ হাজার একর জমি নিয়ে তিনটি পর্যটন পার্কের উন্নয়ন কাজ শুরু করে ২০১৬ সালে। এর মধ্যে ৯৬৭ একর জমিতে সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক, ২৭১ একর জমিতে নাফ ট্যুরিজম পার্ক ও ৯ হাজার ৪৬৭ একর জমিতে সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এর মধ্যে মাত্র ১ হাজার ১ টাকা সেলামিতে সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক তৈরির জন্য বেজাকে ২০১৭ সালে ওই জমি বরাদ্দ দেয় জেলা প্রশাসন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে