ডাকসুর তিন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তদন্তে পৃথক তিন কমিটি গঠন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) তিনটি বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তদন্তে পৃথক তিনটি কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ নামে ওয়েবসাইট চালু, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন এবং ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের ঘটনা খতিয়ে দেখবে এসব কমিটি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর ১২(৩) ধারা অনুযায়ী কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। প্রতিটি কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
‘ডিইউ ইভ্যালুয়েশন’ ওয়েবসাইট চালুর বিষয়টি তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) এই কমিটির আহ্বায়ক। কমিটিতে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক রয়েছেন। রেজিস্ট্রার সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
এদিকে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে দুটি স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপনের অভিযোগও তদন্ত করবে পাঁচ সদস্যের কমিটি। ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে কলাভবনসংলগ্ন এলাকা এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে স্থাপনা দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই কমিটিরও আহ্বায়ক প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)। সদস্য হিসেবে রয়েছেন আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও প্রক্টর। এস্টেট ম্যানেজার সদস্য সচিবের দায়িত্বে থাকবেন।
অন্যদিকে, ডাকসু সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং তৎকালীন ছাত্রসংঘ নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের ঘটনাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটির আহ্বায়কও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন)। আইন অনুষদের ডিন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন ও প্রক্টর কমিটির সদস্য এবং এস্টেট ম্যানেজার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংস্কার শেষে ডাকসু সংগ্রহশালা নতুন করে চালু হওয়ার পর জিন্নাহ ও আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের বিষয়টি সামনে আসে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরে এক শিক্ষার্থী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফ্রেম ভাঙচুর করেন। একই সঙ্গে ছবিগুলো সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন প্রতিবা
মতামত দিন