কঙ্গোকে হারিয়ে বিশ্বকাপ নকআউটে কলম্বিয়া
কঙ্গোকে হারিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল কলম্বিয়া। খেলার ৭৬ মিনিটে ড্যানিয়েল মুনোজ দেখা পায় সেই কাঙ্ক্ষিত গোলটির। চলতি বিশ্বকাপে তার নৈপুণ্যেই কঙ্গোকে ১-০ গোলে হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছে কলম্বিয়া।
টানা দ্বিতীয় জয়ে গ্রুপ ‘কে’-এর শীর্ষে উঠে এসেছে কলম্বিয়া। একই সঙ্গে শেষ ৩২-ও নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থানে থাকা কঙ্গোর সামনে নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ গ্রুপ ম্যাচে উজবেকিস্তানকে হারানোর বিকল্প নেই।
অথচ আগের ৭৬ মিনিট পর্যন্ত কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। কলম্বিয়া আক্রমণের চেষ্টা করে গেলেও তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ান কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। একের পর এক সেভ করে কলম্বিয়াকে রুখে দিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত মুনোজের দর্শনীয় গোলের সামনে আর পেরে ওঠেননি।
গুয়াদালাহারায় কলম্বিয়া ম্যাচজুড়ে একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত উইংব্যাক মুনোজ জট খুলে দেন। হুয়ান ফার্নান্দো কুইন্তেরোর বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের শট নেন মুনোজ। কঙ্গোর এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে বলের গতিপথ বদলে যায়, ফলে ভুল দিকে ঝাঁপ দেন গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। বল গিয়ে জালে জড়ায় জালে।
ম্যাচজুড়ে কলম্বিয়ার সবচেয়ে বড় আক্রমণাত্মক অস্ত্র ছিলেন মুনোজ। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। তবে জন আরিয়াসের শট গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেওয়ার পর বল কাছ থেকে পেয়ে জালে না পাঠিয়ে সাইড নেটে মারেন মুনোজ।
দুই মিনিট পর অবশ্য বল জালে জড়িয়েছিলেন মুনোজ। প্রথম হেড এমপাসি ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে গোল করেন তিনি। কিন্তু খুব সামান্য ব্যবধানে অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল হয়।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল কলম্বিয়ার হাতে। ৫০ মিনিটে লুইস দিয়াজের সামনে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ আসে। শুধু গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেই গোল হতো, এমন অবস্থায়ও লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন তিনি। ফিরতি বলে আরিয়াসের শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত মুনোজ এমপাসিকে পরাস্ত করেন।
শেষ দিকে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় কঙ্গো। নিজেদের দলীয় দৃঢ়তায় প্রাপ্য জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে কলম্বিয়া।
মতামত দিন