আমার স্ত্রী যদি সহায়তা না করতো, আমি পারতাম না: তারেক রহমান
আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯ বছর পর নিজের ভূমিতে ফেরার তৌফিক দিয়েছেন তিনি৷ নিজের ঘরে এসে কী বলবো? আসলে আমি নিজেও তাল হারিয়ে ফেলেছি। ঘরের মানুষের কাছে বলার কিছু নাই।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ১৯ বছর আগে দেশে থাকার সময় বগুড়া সদরসহ জেলায় যেসব কাজ করার কথা ছিল, তা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
বনানী–মাটিডালি সড়ক, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালসহ নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহ সুযোগ দিলে পুরো জেলা সাজানো হবে। ২০০১–২০০৬ সাল পর্যন্ত বগুড়ার সাতটি এলাকায় দেশের অন্য যেকোনো জেলার তুলনায় বেশি কাজ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তারেক রহমান জানান, এখন তার অবস্থান আগের মতো নেই, দায়িত্বও বেড়েছে। শুধু বগুড়া নয়, সমগ্র দেশের কথা ভাবতে হবে। গত ১৫–১৬ বছরে মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে যেভাবেই হোক দুর্নীতির টুটি চেপে ধরা হবে।
চাকরি-বাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যোগ্যতার ভিত্তিতে সুযোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, বগুড়া তার ন্যায্য অধিকার অবশ্যই পাবে, তবে অন্য জেলার ন্যায্য অধিকার যেন বঞ্চিত না হয় সেটিও নিশ্চিত করা হবে।
ব্যক্তিগত জীবনের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান জানান, তিনি এত রাতে রাজনীতি ও সভা-সমাবেশ করছেন—এটা সম্ভব হয়েছে স্ত্রীর সহযোগিতার কারণে। তার ভাষায়, ‘আমার স্ত্রী যদি সহায়তা না করতো, আমি পারতাম না। তেমনি আপনারা যদি আমাকে সহায়তা না করেন, আমিও পারবো না।’
শেষে তিনি বগুড়াবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, যেন তাকে নিয়ে তারা গর্ব ও অহংকার করতে পারেন।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। সভাস্থল ও আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে