Views Bangladesh Logo

কানাডায় বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে নেয়ার নতুন আবেদন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি অভিবাসীদের জন্য একটি দুঃসংবাদ দিল দেশটির সরকার। বাবা-মা ও দাদা-দাদিকে স্থায়ীভাবে কানাডায় নেয়ার জনপ্রিয় ‘প্যারেন্টস অ্যান্ড গ্র্যান্ডপ্যারেন্টস (পিজিপি) স্পন্সরশিপ’ প্রোগ্রামে নতুন আবেদন গ্রহণ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

গত বুধবার (১৫ জুলাই) এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় কানাডার অভিবাসন বিভাগ ইমিগ্রেশন, রিফিউজিস অ্যান্ড সিটিজেনশিপ কানাডা (আইআরসিসি) ।

আইআরসিসির ভাষ্য, অভিবাসন ব্যবস্থা আরও কার্যকর, সুশৃঙ্খল ও টেকসই রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ২০২৫-২০২৭ সালের অভিবাসন পরিকল্পনার আওতায় ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলোর প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই চলবে। সরকার চলতি বছরে পূর্বে জমা হওয়া আবেদনগুলোর মধ্য থেকে ১৫ হাজার জনকে স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, পিজিপি কর্মসূচিতে আবেদনকারীর সংখ্যা দীর্ঘদিন ধরেই নির্ধারিত কোটার তুলনায় অনেক বেশি। ফলে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমে গিয়ে ব্যাকলগ তৈরি হয়েছে। এই জট কমাতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে সম্ভাব্য স্পন্সরদের নতুন আবেদন জমা দেওয়ার জন্যও কোনো আমন্ত্রণ জানানো হবে না।

কানাডিয়ান প্রেসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে লটারিভিত্তিক পদ্ধতিতে চালু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় এখনো ৬০ হাজার ৫০০টির বেশি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এসব আবেদন সম্পন্ন করতে আড়াই বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে নতুন আবেদন বন্ধ হলেও ‘সুপার ভিসা’ কর্মসূচি আগের মতোই চালু থাকবে। এ ভিসার মাধ্যমে বাবা-মা বা দাদা-দাদিরা একবারে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কানাডায় অবস্থান করতে পারবেন। এছাড়া ১০ বছর পর্যন্ত একাধিকবার কানাডায় প্রবেশ ও ভ্রমণের সুযোগ থাকবে।

কানাডা সরকারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে পিজিপি কর্মসূচির আওতায় ২৭ হাজার ৩৩০ জন স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। একই সময়ে ৫৩ হাজার ৬৯৫টি সুপার ভিসা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২৬ দশমিক ৬ শতাংশ কম।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ