ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপে হতাশার ড্র কানাডার
নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে স্বাগতিক কানাডা। জয় না আসলেও ইতিহাস গড়েছে দলটি—বিশ্বকাপে এটি কানাডার প্রথম পয়েন্ট। ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের পর এবারও বিশ্বকাপে জয়ের অপেক্ষায় থাকল কানাডা। আজকের ম্যাচে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ৪৩ হাজার ২ জন দর্শক। ফিফার নির্ধারিত ধারণক্ষমতার মাত্র ৩৪ কম ছিল।
বায়ার্ন মিউনিখের তারকা কানাডার অ্যালফোনসো ডেভিস চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়ায় এই ম্যাচে খেলতে পারেননি।
ম্যাচের ২১ মিনিটে সাবেক আর্সেনাল ডিফেন্ডার সিয়াদ কোলাশিনাকের কর্নার থেকে জোভো লুকিচ হেডে গোল করে বসনিয়া। এর আগে ১৭ মিনিটে সেরা সুযোগ হাতছাড়া করেন জোনাথন ডেভিড। ১২ গজ দূর থেকে তার শট সরাসরি বসনিয়ার গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়। ৩২ মিনিটে তানি ওলুওয়াসেয়িরও একটি ভালো সুযোগ ছিল, কিন্তু তিনি গোলের উপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধের ৭৬ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সাইল লারিন। মাত্র দুই মিনিট পরেই বক্সের শীর্ষ থেকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে বলটি জালে পাঠান তিনি। টরন্টো স্টেডিয়াম উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে। লারিন কানাডার ইতিহাসে জোনাথন ওসোরিওর সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার রেকর্ডের অধিকারী হন।
শেষ দিকে লারিনের আরেকটি শট বসনিয়ার ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে আটকে যায়। ইনজুরি সময়ে কানাডার অধিনায়ক স্টিফেন ইউস্তাকিওর বদলে টরন্টো এফসির নিজস্ব মাঠে জোনাথন ওসোরিওকে নামান জেসি মার্স, তবে জয় আর আসেনি।
কানাডা ৬১ শতাংশ বল দখলে রেখে মাঠ নিয়ন্ত্রণ করলেও বসনিয়ার সংহত রক্ষণ ড্র নিশ্চিত করে। ড্রয়ের ফলে উভয় দলই এক পয়েন্ট নিয়ে সমান অবস্থানে রয়েছে। গ্রুপ বি-তে কানাডার পরবর্তী প্রতিপক্ষ কাতার ও সুইজারল্যান্ড। শীর্ষ দুই দল নকআউট পর্বে উঠবে।

মতামত দিন