Views Bangladesh Logo

নয়াপল্টনে বিএনপির জনসমাবেশ, কাকরাইলে আটক ২০০

বিএনপির ২ শতাধিক নেতা-কর্মীকে রাজধানীর কাকরাইলের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
আজ শনিবার(২৮ অক্টোবর) শনিবার তাদের আটক করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে- আজকের মহাসমাবেশ যোগ দেওয়ার জন্য তারা ঢাকার বাইরে থেকে এসে এখানে জমা হয়েছিলেন।

এদিকে পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিএনপি তাদের এক দফা দাবিতে বেলা ১২টায় সমাবেশ করবে।
ঘটনাস্থল থেকে আমাদের প্রতিবেদক জানান, সকাল থেকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী তাদের দাবির পক্ষে স্লোগান দিচ্ছেন। কাকরাইল মোড় থেকে নটরডেম কলেজ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশ দখল করে রেখেছেন বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ছোট ছোট মিছিলে, রঙিন টুপি পরে, প্ল্যাকার্ড ও পোস্টার হাতে এবং সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে সমাবেশে যুক্ত হচ্ছেন।
তবে দলের সিনিয়র নেতারা এখনো ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেননি।
এদিকে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এক দফা আন্দোলনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
নয়াপল্টন এলাকায় সড়কের দুই পাশে যানবাহন চলাচল সীমিত এবং  বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিএনপি কর্মীদের গ্রেফাতারের বিষয়ে পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন মিয়া জানান, রাতে ডিবি পুলিশের একটি দল কাকরাইলে অভিযান চালায়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ বলেন, ওই এলাকায় (নয়াপল্টন) বেশ কতগুলো ককটেল চার্জ করা হয়। বিস্ফোরণের শব্দ শুনে পুলিশ ও ডিবি একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ২০০ নেতা-কর্মীকে আটক করে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির মহাসমাবেশকে সামনে রেখে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন।
ডিবি’র এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার একটি গাড়ি, প্ল্যাকার্ড, খাবার রান্নার সরঞ্জাম, অনেক লাঠিসোঁটা, রড এবং অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছি।’
ডিবি মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার রাজীব আল মাসুদ বলেন, ‘রাত দেড়টার দিকে পুলিশকে লক্ষ্য করে নির্মাণাধীন ভবন থেকে ১৫-২০টি বোমা চার্জ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা করছে পুলিশ।’
হারুন বলেন, ককটেল নিক্ষেপের ঘটনায় ২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্যই হলো মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে অথবা মহাসমাবেশে কেউ যেন কোনো প্রকার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে না পারে। রাজধানীজুড়ে এরকম আরও ৭-৮টি ভবন আছে। সেখানেও এরকম সমাগম হয়েছে বলে আমরা খবর পেয়েছি। আমরা সেখানেও অভিযান চালাব।’

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ