বাংলাদেশ ব্যুত্থান অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নির্বাহী জাতীয় কমিটি গঠন
বাংলাদেশ ব্যুত্থান অ্যাসোসিয়েশনের নতুন নির্বাহী জাতীয় কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয়েছে। একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রথম সভা।
শনিবার (৯ আগস্ট) ঢাকায় অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন নবনির্বাচিত সভাপতি প্রফেসর মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। এতে কমিটির ১৬ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ক্রীড়া কাউন্সিলের পরামর্শে পূর্ববর্তী কমিটির মেয়াদ শেষে নতুন নির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। প্রফেসর মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সভাপতি এবং বিশ্ব রেকর্ডধারী ও ডিসকভারি চ্যানেলে খ্যাত সুপারহিউম্যান গ্র্যান্ডমাস্টার এম এ কে ইউরী বজ্রমুনি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নবনির্বাচিত ১৯ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে আরও আছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট এডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক খালিল আশরাফ, লে. কর্নেল (অব.) ইউসুফ, ক্যাপ্টেন (অব.) তারিক, অধ্যাপক খালেদ মাহমুদ, খলিল উল্লাহ আশরাফ, মেহেদি হাসান তমাল, সাইদ তানভির রহমান, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সালাম, কাজি মাহিন মাহমুদ, ডিএম ওজায়ের হোসেন, কাওছার মাতুব্বর প্রমুখ।
সভায় সভাপতি প্রফেসর মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কৌশলগত দিকনির্দেশনা এবং আসন্ন “বজ্রপ্রাণ ব্যায়াম প্রতিযোগিতা” নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার এই ক্রীড়াটিকে বিশ্বপরিচিত করে তুলতে সুপারহিউম্যান গ্র্যান্ডমাস্টার এম এ কে ইউরী বজ্রমুনির অবদানকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া কাউন্সিলের প্রেরণাদায়ক উদ্যোগের প্রশংসা করে সাংবাদিক, ক্রীড়া সমর্থক ও স্পনসরদের ব্যুত্থানকে বিশ্বব্যাপী প্রচারে সম্পৃক্ত থাকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
ব্যুত্থান (Butthan) শব্দের অর্থ “বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত আত্মরক্ষা ও জাগরণ”। এটি একটি বাংলাদেশি মার্শাল আর্ট ও আত্মরক্ষামূলক ক্রীড়া, যা আত্মরক্ষা ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেয়।
১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যুত্থান ফেডারেশন ২০১৩ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ক্রীড়া কাউন্সিল কর্তৃক জাতীয় ক্রীড়া হিসেবে স্বীকৃতি পায়। সম্প্রতি ইউনেস্কো-আইসিএম তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ব্যুত্থানের তথ্য প্রকাশ করেছে, যা আন্তর্জাতিক পরিসরে এই ক্রীড়াটির মর্যাদা ও স্বীকৃতি আরও উজ্জ্বল করেছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে