Views Bangladesh Logo
author image

হিরা তালুকদার

  • থেকে

সাংবাদিক
রাষ্ট্রপতির মর্যাদা খর্বের অভিযোগ: সংবিধান উপেক্ষা করেছেন ড. ইউনূস?
রাষ্ট্রপতির মর্যাদা খর্বের অভিযোগ: সংবিধান উপেক্ষা করেছেন ড. ইউনূস?

রাষ্ট্রপতির মর্যাদা খর্বের অভিযোগ: সংবিধান উপেক্ষা করেছেন ড. ইউনূস?

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সদ্য সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংবিধানিক অসঙ্গতির অভিযোগ তুলেছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত, বিদেশ সফর এবং গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি বিষয়ে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেননি। এমনকি ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির ক্ষেত্রেও অবহিত করেননি রাষ্ট্রপতিকে। তার এই অভিযোগ সত্য প্রমানিত হলে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা মো. ইউনূসের ওইসব কর্মকাণ্ড বেআইনী ও অসাংবিধানিক বলে বিবেচিত হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সংবিধান বিশেষজ্ঞরা।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ সংবিধান পরিপন্থি
সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ সংবিধান পরিপন্থি

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ সংবিধান পরিপন্থি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে মঙ্গলবার শপথ নিলেও একই দিনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি বিএনপি ও তাদের মিত্র দলগুলোর সংসদ সদস্যরা। এ শপথ থেকে বিরত থাকেন ছয়জন স্বতন্ত্র এমপিও। তবে জামায়াত-এনসিপি জোটের সংসদ সদস্যরা এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ সদস্য ও সংস্কার পরিষদের সদস্য দুই ধরনের শপথই পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণের এই উদ্যোগকে সংবিধান পরিপন্থি বলে মন্তব্য করেছেন আইনজ্ঞরা। তাদের মতে, বিদ্যমান সংবিধানে এ ধরনের কোনো পরিষদের সদস্যদের জন্য শপথের বিধান নেই। ফলে সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে এমন শপথ আয়োজন সংবিধান পরিপন্থি। এছাড়া প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাংবিধানিক দায়িত্ব মূলত নির্বাচন পরিচালনা ও সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানো পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অতিরিক্ত কোনো পরিষদের শপথ পাঠ করানো তার এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না।’

নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ
নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ

নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল সময়ের সূচনা হতে চলছে। এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল বা সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নয় বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণ, অর্থনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ নির্বাচন হতে চলছে। তাই নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের কাছে জনগণের যেমন থকবে প্রত্যাশার পাহাড়, তেমনটি নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষা করছে একাধিক কঠিন ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির
সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির

সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি এখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটব্যাংকের দিকে। সেগুলো হচ্ছে সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ–সমর্থক ও তরুণ ভোটার। এবারের নির্বাচনের আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মাঠে না থাকায় তাদের সমর্থক ভোটারদের অবস্থান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ–সমর্থকদের ভোট নিজেদের বাক্সে নেওয়া এবং তরুণদের চাকরি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে কৌশল সাজাচ্ছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এসব ভোটারই এবারের নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।

এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য
এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য

এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপাক আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণভোটের গুরুত্বও বহুমাত্রিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বর্জনের সিদ্ধান্ত এবারের গণভোটকে কেবল একটি ভোট আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের রাজনীতির জন্য একটি গভীর ও বহুমাত্রিক পরীক্ষায় পরিণত করেছে। এই আলোচনার একটি প্রধান বিষয় হলো দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এই গণভোটে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে আয়োজিত এই গণভোটকে তারা বৈধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর মনে করে না। আওয়ামী লীগের মতে, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক সমতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না করে আয়োজিত কোনো গণভোট প্রকৃত অর্থে জনগণের সামগ্রিক মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পারে না।’

মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত
মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত

মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারী সব দলের প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে মাঠ-পর্যায়ের প্রচারণায় দলগতভাবে বিএনপি অনেকটাই এগিয়ে। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও কেন্দ্রীয় নেতারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে বড় বড় সমাবেশ ও জনসভা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও সাংগঠনিক সভা করছে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছে। এর বাইরে জামায়াতে ইসলামীও ভোটের মাঠে ধারাবাহিকভাবে সক্রিয় রয়েছে। দলটি বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ, কর্মীসভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইনে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণায় দলটি সবার থেকে এগিয়ে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (জাপা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলও নিজ নিজ শক্ত ঘাঁটিতে প্রচারণা চালাচ্ছে।

...