অবরোধের ভীতি কমতে শুরু করেছে
অবরোধে রাস্তার ভীতি কমতে শুরু করেছে। টানা দু’দিনের অবরোধের আজ প্রথম দিন ৮ নভেম্বর ঢাকার রাস্তায় যান চলাচল বেড়েছে। আজ ব্যক্তিগত গাড়ি এবং গণপরিবহণের সংখ্যা অন্যদিনের তুলনায় বেশি ছিল। কোন কোন এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
রাজধানীর বাংরামোটর, কাওরান বাজার, পান্থপথ, পল্টন, গুলিস্থান, মতিঝিল, তাঁতি বাজার, সদরঘাট ঘুরে অনেকটা স্বাভাবিক চিত্র দেখাগেছে। তীব্র যানজট না থাকলেও ঢাকার রাস্তাকে অনেকটা স্বাভাবিক মনে হয়েছে। কোন কোন এলাকায় লাঠিসোটা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মিদের পাহারা দিতে দেখাগেছে।
রাজধানীর রামপুরার একজন সিএনজি চালক আব্দুল জলিল জানান, তিনি গত কয়েক দিন অরোধের মধ্যে তেমন কোন যানজট দেখেননি। তবে আজ এই চিত্র অনেকটা বদলে গেছে। কাওরান বাজার সিগনালে অন্তত দুবার তিনি ১৫ মিনিট করে অপেক্ষা করেছেন। কাওরান বাজার রেলগেট থেকে সোনারগাঁও সিগনাল পর্যন্ত স্বাভাবিক দিনের মতোই যানজট ছিল।
রাজধানীর পান্থপথ থেকে পুরান ঢাকায় দিকে যাওয়ার সময় বাংলামোটর মোড়ে লাঠিসোটা নিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মিদের পাহারা দিতে দেখাগেছে। তবে বিরোধী কোন পক্ষ না থাকাতে অপ্রতিকর কোন ঘটনা ঘটেনি বলে জানাগেছে।
রাজধানীর গুলিস্থান, বংশাল, নয়াবাজার, ইংলিশ রোড ঘুরে দেখাগেছে স্বাভাবিক ভাবেই দোকানপাট খুলেছে। ক্রেতা সমাগমও ছিল যথেষ্ট।
রাজধানীর ইংলিশ রোডের স্টিল শিট বিক্রেতা আব্দুল আহাদ জানান, তারা অবরোধের কারণে দোকান বন্ধ রাখেননি। ক্রেতাও স্বাভাবিকভাবে এসেছে। তবে মালামাল কিনে নিতে গেলে খানিকটা বাড়তি ভাড়া দাবি করছে ট্রাক চালকরা। তবে দরদাম করলে আবার আগের ভাড়ায় যাওয়া যাচ্ছে।
তবে রাজধানীতে স্বাভাবিক যানচলাচল অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসলেও দূরপাল্লার বাস চলাচল এখনও স্বাভাবিক হয়নি। গতকাল ঈগল পরিবহনের গাবতলী কাউন্টারের ফোন করলে দায়িত্বরত ব্যক্তি বলেন, ঈগল পরিবহন চলছে না।
সোহাগ পরিবহন এর হট লাইন নাম্বারে কয়েক দফা ফোন করলেও কেউ সাড়া দেননি।
তবে রাজধানী থেকে শিডিউল ধরে সব ট্রেন ছেড়েগেছে। আবার রাজধানীতে আসার ট্রেনের সময়ও ঠিক ছিল।
রাজধানীর সদরঘাট থেকে বিভিন্ন রুটে লঞ্চ চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক ছিল। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের বিআইডব্লিউটিএ) সদরঘাট নৌবন্দরের পরিচালক জয়নাল আবেদীন ভিউজ বাংলাদেশকে বলেন, অরোধের কারণে কিছুটা কম থাকলেও লঞ্চ চলাচল করছে। একেবারে বন্ধ নেই।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে