Views Bangladesh Logo

ঢাকা ১ থেকে ৫ ভোটের লড়াইয়ে নির্ভার আওয়ামী লীগ

দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে ভোটের লড়াই। ঢাকার ভোট চিত্রে কিছুটা নির্ভার থাকতে চাইছে ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি নির্বাচনে না আসায় ঢাকার সব আসনে আওয়ামী লীগ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ঢাকার ১ থেকে ৫ এই পাঁচটি আসনের চারটিতেই রয়েছে দলটির হেবিওয়েট প্রার্থী। বর্তমান, সাবেক মন্ত্রী এমনকি প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা এসব আসনের একটিতে নির্বাচন করেছেন।

 

 

ঢাকা-১


সালমা কি পেরে উঠবেন সালমান এফ রহমানের সঙ্গে !


রাজধানীর দোহার এবং নবাবগঞ্জ দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সালমান এফ রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। ভোটের মাঠে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। দেশের প্রভাবশালী দুই শিল্প গ্রুপ বেক্সিমকো এবং এবং যমুনা গ্রুপের কর্নধর এই দুই ব্যক্তি।


আসনটিতে অন্য প্রার্থীরা হলেন,  ন্যাশনাল পিপুলস পার্টির আব্দুল হাকিম (আম),  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শামসুজ্জামান চৌধুরী (একতারা), গণফ্রন্টের শেখ মোহাম্মদ আলী (মাছ), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির করমআলী (হাতুড়ি), তৃণমূল বিএনপির মুফিত খান (সোনালী আঁশ) প্রমুখ এর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।


আসনটির মোট ভোটার ৫ লাখ ১৩ হাজার ৬০৫ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪৫জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৫৭ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছে।


টানা ৩ মেয়াদে ৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নাজমুল হুদা সংসদ সদস্য  নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮ সালে নাজমুল হুদার পরিবর্তে আসনটিতে বিএনপি আব্দুল মান্নানকে মনোনয়ন দেয়। কিন্তু সেবার আর পেরে ওঠেনি বিএনপি। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নৌকা প্রতিকে প্রধান বিজয় ছিনিয়ে আনেন আব্দুল মান্নান খান। তিনি ওই সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৪ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেয়ে লাঙ্গল প্রতিকে সালমা ইসলাম আসনটির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অনেকটা ওয়াকওভারেরে ইলেকশনে আব্দুল মান্নান খান হেরে যান সালমা ইসলামের কাছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে আসনটির নৌকার কান্ডারি হিসেবে সালমান এফ রহমানকে মনোনয়ন দেয়া হয়। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর শিল্প বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা নির্বাচিত হন। 

 

ঢাকা-২


কামরুল ইসলাম কী আবারও সংসদ সদস্য হচ্ছেন ঢাকা-২ এর ?


ঢাকা দক্ষিণ সিটির একাংশর পাশাপাশি কামরাঙ্গির চর এবং সাভারের একাংশ নিয়ে ঢাকা-২ নাম্বার আসন। এই আসনে যেমন ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ভোটার রয়েছে তেমনি রয়েছেন ঢাকার কয়েকটি ইউনিয়নের ভোটার।


আসনটির মোট ভোটার ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৭ জন।  এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫৫ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ৬৯ হাজার ৪৮৯ জন। এছাড়া ১৩ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। 


আসনটিতে এবার নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন সাবেক মন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের আশরাফ আলী জিহাদী মিনার, শাকিল আহমেদ শাকিল জাতীয় পার্টির লাঙ্গল, হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) হিসেবে ট্রাক প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

 

ধানের শীষ প্রতীক  নিয়ে ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত টানা তিনবার এখান থেকে আব্দুল মান্নান সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে প্রথমবার মনোনয়ন পেয়েই বাজিমাত করেন ঢাকা আওয়ামী লীগ এর নেতা মো. কামরুল ইসলাম। প্রথমবার আইন প্রতিমন্ত্রী এবং পরেরবার ২০১৪ সালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলায়। ২০১৮ সালেও কামরুল ইসলামই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবারও নৌকার কান্ডারি তিনি। তবে এবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো কোন প্রার্থিদের কেউ নেই কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

 

ঢাকা-৩

 

ঢাকা-৩ এ বিপুর বিকল্প নেই

 

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ঢাকা-৩ তো বটেই সারাদেশে নসরুল হামিদ বিপু তারুণ্যের কাছে এক জনপ্রিয় নাম। ঢাকার কেরানীগঞ্জে নানা উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে সঙ্গে খেলাধুলোর জন্য গড়ে তুলেছেন একাডেমি। নান্দনিক স্থাপনা নির্মাণে নসরুল হামিদের আলাদা করে সুনাম রয়েছে। এবার কেরানীগঞ্জে তার এলাকায় ঘুরলে যে কেউ বলছেন এখানে বিকল্প নেই।


কেরানীগঞ্জের পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ আসনের মোট ভোটার ৩ লাখ ৪২ হাজার ৫৪২ জন। এরমধ্যে পুরুষ এক লাখ ৭৪ হাজার ৮৪৯ জন, এক লাখ ৬৭ হাজার ৬৪৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ২ জন ভোটার রয়েছে।


বিপুর সঙ্গে সাংস্কৃতিক মুক্তজোটের ছড়ি প্রতীক নিয়ে  রমজান, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহম্মাদ জাফর ডাব প্রতীক নিয়ে এবং স্বতন্ত্রের ট্রাক প্রতীক নিয়ে লড়ছেন আলী রেজা।


১৯৯১ পরবর্তী নির্বাচন গুলোর দিকে তাকালে দেখা যায় আসনটিতে জনপ্রিয়তায় সব সময় বিএনপি এগিয়ে ছিল। টানা তিনবার বিপুল ভোটে আমান উল্লাহ আমান এখান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এপর ২০০৮ সালে প্রথম বার এখান থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন নসরুল হামিদ। সেই থেকে এখনও বিপুই আসনটি আওয়ামী লীগের হয়ে ধরে রেখেছেন।

 

ঢাকা-৪


ঢাকা-৪ এ ফের ফিরেছেন সানজিদা


ঢাকা-৪ এ ফের ফিরেছেন সানজিদা খানম। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সানজিদা নৌকা প্রতীক নিয়ে ঢাকা-৪ এ প্রথম দফায় সরাসরি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এবারও ঢাকার এই আসনে সানজিদার হাতেই নৌকা তুলে দেয়া হয়েছে। নবম সংসদ নির্বাচনের পর ১০ম এবং একাদশে আসনটি শরীকদের জন্য ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। এই আসনে তখন জাতীয় পার্টির সৈদয় আবু হোসেন সংসদ সদস্য ছিলেন।


এই আসনে ১৯৯১ এবং সালাউদ্দিন আহমদ ১৯৯৬ সালে হাবিবুর রহমান মোল্লা আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ এ এখান থেকে ফের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন আহমেদ।


আসনটিতে এবার মোট ভোটার ২ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮৪ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩২ হাজার ৪১৩ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ১৬৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫ জন ভোটার রয়েছেন। ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশন এর ৪৭, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৫৯ নাম্বার ওয়ার্ড নিয়ে ঢাকা-৪ আসন গঠিত।


এবারও জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন লাঙ্গল, আওলাদ হোসেন স্বতন্ত্র (ট্রাক), বাংলাদেশ কংগ্রেস এর সোহেল (ডাব), ইসলামি ঐক্যজোটের শাহ আলম (মিনার), সাংস্কৃতিক মুক্ত জোট এর সাহেল আহমেদ সোহেল (ছড়ি), মোহম্মদ মনির হোসেন স্বতন্ত্র (ঈগল) ,  কল্যান পার্টির ইয়াসিন হোসেন (হাতঘড়ি) নিয়ে রয়েছেন ভোটের মাঠে।

 

 

ঢাকা-৫


নতুনদের এমপি হওয়ার পরীক্ষা

 

ঢাকা দক্ষিন সিটি কর্পোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ এবং ৭০ নাম্বার ওয়ার্ডের ৪ লাখ ৯০ হাজার ৮০৫ জন ভোটারের আসন ঢাকা-৫। ঢাকায় রাজনীতিতে গ্লামার না ছড়ালেও মাঠের রাজনীতিতে পরীক্ষিত কর্মি বলেই মুন্নাকে বেছে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। তিনি যাত্রা বাড়ি থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।


আসনটিতে ১৯৯১ সালে বেগম জিয়া সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ঘূরে ফিরে কখনও আওয়ামী লীগ আবার কখনও বিএনপির দখলে ছিল আসনটি। ১৯৯৬ তে একেএম রহমত উল্লাহ আওয়ামী লীগ থেকে এবং ২০০১ এ মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর টানা তিনবার আসনটি থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন হাবিবুর রহমান মোল্লা।


হানিফ হৃদয় তৃনমূল বিএনপি (সোনালী আঁশ), বিএিএফ এর লিটন (টেলিভিশন), বাংলাদেশ কংগ্রেসের সাইফুল আলম (ডাব), আবু জাফর মোঃ হাবিব উল্লাহ ইলামী ঐক্যফন্টের (চেয়ার), এনপিপির আরিফুর রহমান (আম), মোশারফ হোসেন মিয়া বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (আম), সায়েরা খান বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (কাঁঠাল), সংস্কৃতি মুক্ত জোটের নূরুল আমিন (ছড়ি), ইসলামী ঐক্য জোটের আব্দুল কাইযূম (মিনার), কামরুল হাসান স্বতন্ত্র (ঈগল) এবং মশিউর রহমান মোল্লা স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

 

 

পাঠকের জন্য পঞ্চম থেকে একাদশ পযন্ত ভোটের ফলাফল তুলে ধরা হলো

 

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নাজমুল হুদা

(বিএনপি)

৫৫,১৫২

(৬০.৭৮%)

মো: মাহবুবুর রহমান

(আওয়ামী লীগ)

৩১,২৪৫

(৩৪.৪৩%)

১,৪৯,৪২৯

৬১.১৬%

ঢাকা-২

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আব্দুল মান্নান

(বিএনপি)

৩৭,৪১৫

(৪১.৮৪%)

আজিজুর রহমান

(বাকশাল)

২৮,৮২০

(৩২.২৩%)

১,৫৫,৮০৫

৫৭.৭৯%

ঢাকা-৩

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আমান উল্লাহ আমান

(বিএনপি)

৯৭,২৯৯

(৫৭.৫৩%)

মোস্তফা মহসীন মিন্টু

(আওয়ামী লীগ)

৬৬,২২০

(৩৮.৯৯%)

২,৮৯,১১৬

৫৯.২৭%

ঢাকা-৪

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সালাহ উদ্দিন আহমেদ

(বিএনপি)

৫৬,৩৬২

(৪৭.৮৮%)

সাইফুদ্দিন আহমেদ মানিক

(সিপিবি)

৪২,৪৫৪

(৩৬.০৬%)

২,৮১,৮১২

৪২.০২%

ঢাকা-৫

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

বেগম খালেদা জিয়া

(বিএনপি)

৭১,২৬৬

(৫১.৪৭%)

অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন

(আওয়ামী লীগ)

৪৫,৮১১

(৩৩.০৮%)

২,৯০,১৬৭

৪৮.০৩%

 

৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯৬

 

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নাজমুল হুদা

(বিএনপি)

৩৮,১৭২

(৫৪.৯৯%)

মোঃ হাশেম আলী

(আওয়ামী লীগ)

২০,০০৫

(৩৪.৪৩%)

৮৬,৭৪৬

৮০.৬৬%

ঢাকা-২

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আব্দুল মান্নান

(বিএনপি)

৫০,৮১৮

(৪৬.৯১%)

এ বতেন মিয়া

(আওয়ামী লীগ)

৩৪,৩৪৪

(৩১.৭৫%)

১,৩৫,৮৬২

৫০.৫৩%

ঢাকা-৩

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আমান উল্লাহ আমান

(বিএনপি)

১,২৪,০৯৬

(৫৯.৯১%)

মোঃ শাহজাহান

(আওয়ামী লীগ)

৫২,৬৬২

(২৫.৪২%)

২,৭৫,১০৯

৭৬.৩৩%

ঢাকা-৪

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

হবিবুর রহমান মোল্লা

(আওয়ামী লীগ)

১,০২,৯৩৯

(৪৭.১১%)

সালাউদ্দিন আহমেদ

(বিএনপি)

৮১,৫২২

৩,৩১,৬৪১

৬৬.৫৫%

ঢাকা-৫

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

এ,কে,এম রহমত উল্লাহ

(আওয়ামী লীগ)

১,৩২,৪৪৩

(৪৭.৪৮%)

কামরুল ইসলাম

(বিএনপি)

১,০৯,৩৭০

(৩৯.২১%)

৪,০৭,৭৩৫

৬৮.৮১%

৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০১

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নাজমুল হুদা

(বিএনপি)

৪৮,৩৪৭

(৫১.৪১%)

সালমান এফ রহমান

(আওয়ামী লীগ)

৪৫,৫৭৬

(৪৮.৭০%)

১,১৯,২৪২

 

৭৮.৮৬%

ঢাকা-২

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আব্দুল মান্নান

(বিএনপি)

৭০,৯৫৮

(৫০.৫১%)

মোহাম্মদ নূর আলী

(আওয়ামী লীগ)

৬৮,৪১৪

(৪৮.৭০%)

১,৭৮,৮৯৪

৭৮.৯৯%

ঢাকা-৩

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আমান উল্লাহ আমান

(বিএনপি)

১,৬৯,৯৮০

(৬৪.১৫%)

নসরুল হামিদ বিপু

(আওয়ামী লীগ)

৮৯,৩৭৫

(৩৩.৭৩%)

৩,৮৯,৪৬৭

৬৮.৪১%

ঢাকা-৪

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সালাউদ্দিন আহমেদ

(বিএনপি)

১,৫১,৩৬৮

(৫২.০২%)

হাবিবুর রহমান মোল্লা (আওয়ামী লীগ)

১,২৩,০০২

(৪২.২৭%)

৪,৮৮,৪৭৩

৫৯.৯০%

ঢাকা-৫

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম

(বিএনপি)

২,১১,৪৪০

(৫৪.০৩%)

একেএম রহমত উল্লাহ (আওয়ামী লীগ)

১,৬৬,৮৩২

(৪২.৬৩%)

৬,৩৩,৪৩৫

৬২.০৬%

৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০০৮

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

আব্দুল মান্নান খান( আওয়ামী লীগ)

১,৫৫,৮৬৩

(৫৪.৭৫%)

আব্দুল মান্নান (বিএনপি)

১,২১,৪৪০

(৪২.৬৬%)

৩,১৯, ৮৩৬

 

৮৯.৬৯%

ঢাকা-২

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

মোঃ কামরুল ইমলাম (আওয়ামী লীগ)

১,৮০,১৭২

(৫৬.৬৪)

মো. মতিউর রহমান (বিএনপি)

১,২৪,৬৩০

(৩৬.৯৯)

২,৫০,৬৩৬

৮৫.৫৮%

ঢাকা-৩

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নসরুল হামিদ বিপু

(আওয়ামী লীগ)

১,২৩,৩০২

(৫৭.৮৮%)

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি)

৭৮,৮১০

(৩৬.৯৯%)

২,৫০,৬৩৬

৮৫.৫৮%

ঢাকা-৪

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

বেগম সানজিদা খানম

(আওয়া মীলীগ)

৯৭,৮২৮

(৬০.০৩%)

আব্দুল হাই (বিএনপি)

৫২,৭০১

(৩২.৩৪%)

##

##

ঢাকা-৫

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

হাবিবুর রহমান মোল্লা

(আওয়ামী লীগ)

১,৫৩, ১৪৪

(৫৩.০০%)

সালাহ উদ্দিন আহমেদ

৯৯,৮৯৫

(৩৪.৫৭)

৩,৬১,৮২৩

৮০.৪১%

১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সালমা ইসলাম

(জাতীয় পার্টি)

৫৩,৩৪১

(৫২.২৮%)

আব্দুল মান্নান খান

(আওয়ামী লীগ)

৪৮,৬৯০

(৪৭.৭২%)

৩,৭৮,৯৫৮

২৭.৪৩

ঢাকা-২


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

কামরুল ইসলাম খান

(আওয়ামী লীগ)

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

 


 


 


 


ঢাকা-৩


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নসরুল হামিদ বিপু

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত

 

 


 


 


 


ঢাকা-৪


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সৈয়দ আবু হোসেন

(জাতীয় পার্টি)

১৭,৭৭২

(৫৪.৫৮%)

মোঃ আওলাদ হোসেন (স্বতন্ত্র)

১৪,৭৮৭

(৪৫.৪২%)

২,২৮,৫৪০

১৪.৫৩%

ঢাকা-৫


           

নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

হাবিবুর রহমান মোল্লা

(আওয়ামী লীগ)

১,০৮,০৪০

(৯৫.০৫%)

আরজু শাহ সায়দাবাদী

(বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন)

২,৪৪২

(২.১৫)

৪,১০,৩৯৮

২৮.১১%

           

 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮

ঢাকা-১

দোহার নবাবগঞ্জ


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সালমান এফ রহমান

(আওয়ামী লীগ)

৩,০২,৯৯৩

(৮৬.৫০%)

সালমা ইসলাম

(স্বতন্ত্র)

৩৭,৭৬৩

(১০.৭৮%)

৪,৪০,২৮৭

৮০.৪১%

ঢাকা-২


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

কামরুল ইসলাম (আওয়ামী লীগ)

৩,৩৯,৫৮১

(৮৫.৫৮%)

ইরফান ইবনে আমান অমি

(বিএনপি)

৪৭,১৯৫

(১১.৮৯%)

৪,৯৪, ৩৪৬

৮০.৯৩%

ঢাকা-৩


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

নসরুল হামিদ (বিপু)

২,২১,৩৫১

(৯০.৬২%)

 

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (বিএনপি)

১৬,৬১২ (৬.৮০%)

৩,১১,৬১৭

৭৯.১৬%

ঢাকা-৪


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

সৈয়দ আবু হোসেন (জাতীয় পার্টি)

১,০৬,৯৫৯

(৬৯.৩০%)

সালাহ উদ্দিন আহমেদ

(বিএনপি)

৩৩,১১৭

(২১.৪৬%)

২,৪৫,৮১৩

৬৩.৮৩%

ঢাকা-৫


নির্বাচিত

প্রাপ্ত ভোট

নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী

প্রাপ্ত ভোট

মোট ভোটার

ভোট পড়ার শকতরা হার

হাবিবুর রহমান মোল্লা

(আওয়ামী লীগ)

২,২০,০৮৩

(৭১.৭৭%)

নবীউল্লাহ (বিএনপি)

৬৭,৫৭২

(২২.০৩%)

৪,৫০,৬০৮

৬৮.৭০%

 

 

 

 


 

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ