খামেনির মৃত্যুর পর রাষ্ট্র পরিচালনায় ইরানে ৩ সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদ
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ইরান সরকার। রোববার সকালে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রচার করা হয়।
খামেনির মৃত্যুর পর দেশের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তিন সদস্যের একটি পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিষদে রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি এজেই এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিল–এর একজন আইনজ্ঞ।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর খামেনি ছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে অধিষ্ঠিত দ্বিতীয় ব্যক্তি। তার মৃত্যুর পর নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব পড়বে বিশেষজ্ঞ পরিষদ–এর ওপর। ধর্মীয় নেতাদের এই পরিষদই নতুন নেতা নির্বাচন করবে।
ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে পরিষদের বৈঠক দ্রুত আয়োজন করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে