Views Bangladesh Logo

শাহজালাল বিমানবন্দরে বসানো হলো ২৫ নতুন বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২৫টি নতুন এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর (বিস্ফোরক শনাক্তকরণ যন্ত্র) সংযোজন করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। একই সঙ্গে এসব অত্যাধুনিক সরঞ্জাম পরিচালনা ও ব্যবহারের জন্য বিমানবন্দর নিরাপত্তা শাখার ৪৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

সোমাবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বেবিচক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন সংযুক্ত হওয়া ‘নাকটেক টিআর২০০০’ মডেলের ডিভাইসগুলো পরিচালনার জন্য একটি স্থানীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এটি পরিচালনা করেন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রিত বিশেষজ্ঞরা। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ৪৪ জন কর্মীকে সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহার, নমুনা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও নিরাপদ পরিচালনার ওপর ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

বেবিচক সূত্র জানায়, এই যন্ত্রটি আয়ন মোবিলিটি স্পেকট্রোমেট্রি প্রযুক্তি ব্যবহার করে অতি সূক্ষ্ম বিস্ফোরক ও অবৈধ মাদকদ্রব্যের উপস্থিতি শনাক্ত করতে সক্ষম। যাত্রীসাধারণের ব্যাগেজ, কার্গো এবং যেকোনো উপরিভাগ পরীক্ষা করে সন্দেহজনক পদার্থের অস্তিত্ব দ্রুত বের করতে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল বলেন, ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তির সংযোজনের ফলে বিস্ফোরক ও মাদক শনাক্তকরণের সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা তল্লাশির কার্যকারিতা উন্নয়ন এবং সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্রুত চিহ্নিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হবে। একই সঙ্গে এটি প্রচলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিপূরক হিসেবে কাজ করে বিমানবন্দরের বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।’

সংস্থাটি জানায়, আধুনিক সরঞ্জামের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে কর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত অনুশীলন অব্যাহত রাখা হবে। পরবর্তীতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশাপাশি চট্টগ্রাম, সিলেট ও কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের জন্য একই ধরণের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ