পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ১৭
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৭ জনকে আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে সন্দেহ করছে রাজ্য পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে শিশু ও নারীও রয়েছেন।
রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার পৃথক এই অভিযান চালানো হয়। প্রথম অভিযানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘীর ‘গাজীর মোড়’ এলাকার ইয়াকুব নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন শিশু ও দুজন নারী রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিরা বেশ কয়েক বছর আগে ভারতে প্রবেশের পর বেঙ্গালুরুতে ভাঙারি সামগ্রীর ব্যবসায় যুক্ত হন। সম্প্রতি সেখানে নথিবিহীন বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে তারা গা-ঢাকা দিতে রায়দিঘীর ওই বাড়িতে আশ্রয় নেন। আটকের পর তাদের জেলার লক্ষ্মীকান্তপুর হোল্ডিং সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের কাছে ভারতে প্রবেশের বৈধ নথিপত্র আছে কি না এবং কীভাবে তারা ওই এলাকায় পৌঁছালেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রানীনগর থানার অন্তর্গত কাহারপাড়া বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আরও সাতজনকে আটক করে স্থানীয় পুলিশ। সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে তাদের আটক করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদেরকে বাংলাদেশের রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার বাসিন্দা বলে দাবি করেছেন।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা আরও জানান, রাজমিস্ত্রির কাজ করার উদ্দেশ্যে দালালের মাধ্যমে তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন এবং তাদের চেন্নাই যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে সীমান্ত পার করে দেওয়ার পর দালাল চম্পট দিলে তারা সেখানে বিপদে পড়েন। পরবর্তীতে তাদের আটক করে স্থানীয় লালগোলা হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।
আটক সাতজনের সবাই পুরুষ বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মতামত দিন