Views Bangladesh Logo

পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়া, ভোলায় স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে যুবককে হত্যা

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় পাওনা টাকা নিয়ে ঝগড়ার জেরে মো. শাকিল মিস্ত্রী (৩০) নামে এক যুবককে স্টাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আরেক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে তজুমদ্দিন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) ভোরে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাকিলের মৃত্যু হয়।

নিহত শাকিল উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কেরানির দোকান এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি ছিলেন।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ আড়ালিয়া এলাকার কেরানির দোকানের সামনে শাকিলকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেন একই গ্রামের বাসিন্দা মো. নুরনবীর ছেলে মো. তামিম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই গ্রামের মো. ইউনুসের ছোট ছেলে রাকিবের কাছে মো. নুরনবীর ছেলে তামিম হোসেনের ৬০০ টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা নিয়ে শনিবার বিকেলে মাঠে ক্রিকেট খেলার সময় রাকিব ও তামিমের মধ্যে ঝগড়ার একপর্যায়ে রাকিবের বড় ভাই শাকিল মিস্ত্রি ঝগড়া থামাতে গিয়ে তামিমকে থাপ্পড় দেন।

এ ঘটনার জেরে ওইদিন সন্ধ্যায় শাকিল ঘটনাস্থলে দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে টিভি দেখছিল। হঠাৎ করে তামিম পেছন দিক থেকে এসে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে শাকিলের মাথায় আঘাত করে। এতে শাকিল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখান থেকে ভোলা জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে শাকিল মৃত্যুবরণ করেন।

পরে নিহতের বাবা তজুমদ্দিন থানায় অভিযুক্ত তামিমের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নিহত শাকিলের বাবা মো. ইউনুস অভিযোগ করেন, “আমার ছেলেকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।”

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুস সালাম জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ