রাজবাড়ীতে তরুণ ও গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর খানখানাপুর গ্রামে এক তরুণ ও এক গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরে গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে ওই তরুণের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি আলোচনায় আসে।
জানা যায়, শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। রোববার সন্ধ্যার পর ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি বাড়ির উঠানে একই রশি দিয়ে এক তরুণ ও এক গৃহবধূকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। উপস্থিত কয়েকজন তাদের বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন। একপর্যায়ে তরুণকে তার বাবাকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলা হয়। তিনি বারবার রশি খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলেও তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মুক্ত করা হয়নি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ওই তরুণ শনিবার গভীর রাতে রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর খানখানাপুরে তার ফুপাতো ভাইয়ের বাড়িতে যান। অভিযোগ রয়েছে, ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে ওই তরুণের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। রাতেই তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলার পর পরিবারের সদস্যরা দুজনকে মারধর করে গাছে বেঁধে রাখেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পরে গৃহবধূর স্বামী সংসার না করার সিদ্ধান্ত জানান। রাতেই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ সম্পন্ন হয় এবং পরে ওই তরুণ ও গৃহবধূর বিয়ে দেওয়া হয়। ভোরের দিকে নবদম্পতি সেখান থেকে চলে যান।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। গৃহবধূ ও তরুণ—উভয়ই প্রাপ্তবয়স্ক এবং তাদের বিয়ে হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতামত দিন