ইলন মাস্কের হাতে কেন বাথরুমের সিঙ্ক!
৪৪ বিলিয়ন ডলার দিয়ে টুইটার কেনার পর টুইটারের হেড অফিসে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক প্রবেশ করেছিলেন একটি বাথরুম সিঙ্ক হাতে। নিজের টুইটে সেই ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘লেট দ্যাট সিঙ্ক ইন!’ যার বাংলা অর্থ হতে পারে অনেকটা এরকম: বুঝছ না ব্যাপারটা! আয়নাবাজি ছবিতে চঞ্চল চৌধুরী ডায়লগটা দিয়েছিলেন এভাবে: ‘বুঝো নাই ব্যাপারটা?’ তারপর থেকে বাংলা সংলাপটিও খুব জনপ্রিয় হয়। নানা মানুষ কথাটি নানাভাবে ব্যবহার করে।
এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলন মাস্ক রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়েছেন। শুধু সমর্থন দিয়েই ক্ষান্ত হননি, ট্রাম্পের নির্বাচনি প্রচারে নিজে অংশ নিয়েছেন এবং নির্বাচনি প্রচার কাজের জন্য ট্রাম্পকে ১১ কোটি ৯০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন।
এতটুকুতেই যে ঘটনা শেষ হতো তাও হতো। ইলন মাস্ক আগাম ঘোষণা দিয়েছেন এবারের নির্বাচনে ট্রাম্পই জিতবেন এবং সেই ভবিষ্যদ্বাণীও সত্য হয়ে গেল। ইলন মাস্ক আরও এক মজার কাজ করেছেন, টুইটার কেনার পর সেই সিঙ্ক হাতের ছবি এডিট করে পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, সেই সিঙ্ক হাতে তিনি এবার প্রবেশ করছেন হোয়াইট হাউসে। ছবির ক্যাপশন একই: বুঝছো না ব্যাপারটা!
কিন্তু কী এর অর্থ! কেন তিনি তৈরি করলেন এমন মিম! আর হঠাৎ করে নিজেকে এভাবে কেন রাজনীতিতে জড়ালেন ইলন মাস্ক! এর মধ্যেই তাকে নিয়ে নতুন জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে। ট্রাম্প তাকে আখ্যা দিয়েছেন রিপাবলিকান দলের নতুন তারকা। ট্রাম্পের হাত ধরেই কি রাজনীতিতে প্রবেশ করছেন ইলন মাস্ক? ট্রাম্পের কেবিনেটে কি থাকবেন তিনি? না কি নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থে রাজনীতিকে ব্যবহার করবেন? তার টেসলা কোম্পানি অনেকটাই চীনের ওপর নির্ভরশীল, আর স্পেসএক্স নির্ভরশীল আমেরিকার ওপরই। তাহলে ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করে স্পেসএক্সকে তিনি আরও বিস্তৃত করবেন? এবার সত্যিই মানুষকে মঙ্গলে পাঠিয়ে দিবেন!
অনেক প্রশ্ন! ট্রাম্পের চেয়ে বেশি নজর যেন ইলন মাস্কের দিকেই এখন। এসব নিয়ে বড় এক বিশ্লেষণ ভিউজ বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য আসছে শিগগিরই।
মতামত দিন