Views Bangladesh Logo

ডোপ টেস্টে পজিটিভ, দুই বছরের নিষেধাজ্ঞায় ভারোত্তোলক মাবিয়া

Sports Desk

ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশের তারকা ভারোত্তোলক ও এসএ গেমসে টানা দুইবারের স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফল আসায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বছরের সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ইসলামিক সলিডারিটি গেমসের আগে। গেমস শুরুর পূর্বে ২৯ অক্টোবর বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) ভবনে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষায় তার শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ ‘ফুরোসেমাইড’ ও ‘ক্যানরেনোন’-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা সাধারণত শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি বের করতে ব্যবহৃত হয়।

সাউথ এশিয়া রিজিওনাল অ্যান্টি-ডোপিং অর্গানাইজেশন (সারাডো)-এর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ব ডোপবিরোধী সংস্থা (ওয়াডা) তাকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ভারোত্তোলন থেকে নিষিদ্ধ করে। গত ৯ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে নিষেধাজ্ঞার চিঠি হাতে পান এই অ্যাথলেট।

নিষেধাজ্ঞার খবরে হতাশ হলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি মাবিয়া। তিনি দাবি করেন, হাঁটুর চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ সেবন করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘আমি পায়ের ট্রিটমেন্টের জন্য ওষুধ খেয়েছিলাম। হাঁটুতে পানি জমেছিল, প্রায় ৮-৯ মাস চিকিৎসাধীন ছিলাম। ডাক্তারের পরামর্শ মেনেই ওষুধ নিয়েছি।’

তিনি আরও জানান, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। তার মতে, ‘আমি জানি না কেন আমাকে সাসপেন্ড করা হলো। ঘরোয়া নাকি আন্তর্জাতিক—কোথায় খেলতে পারবো, সেটাও স্পষ্ট করা হয়নি।’

২০১২ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া মাবিয়া আক্তার দেশের ভারোত্তোলনে অন্যতম সফল নাম। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার অর্জন পাঁচটি স্বর্ণপদক। ২০১৬ সালের গৌহাটি ও ২০১৯ সালের নেপাল এসএ গেমসে টানা দুই স্বর্ণ জিতে তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবস্থান তৈরি করেন। হঠাৎ এই নিষেধাজ্ঞা তার ক্যারিয়ারে বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ