চ্যাম্পিয়নস লিগে ইউনাইটেড, বায়ার্নের গোল-উৎসব, কোমোর রূপকথার শুরু
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের প্রথম রাউন্ডে বৃহস্পতিবার রাতে বড় জয় দিয়ে নজর কাড়ল তিনটি ক্লাব—ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, বায়ার্ন মিউনিখ ও নবাগত কোমো।
দীর্ঘ বিরতির পর ইউরোপ সেরার আসরে ফেরা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে আজারবাইজানের নবাগত ক্লাব সাবাহকে উড়িয়ে দিয়েছে ৪-০ গোলে। প্রথমার্ধে মাথেউস কুনিয়ার গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর বিরতির ঠিক আগে ব্যবধান বাড়ান ব্রুনো ফার্নান্দেস ও বেনিয়ামিন সেসকো। দ্বিতীয়ার্ধে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের গোলে সম্পূর্ণ হয় দলের বড় জয়।
ঘরোয়া লিগে সাম্প্রতিক সময়ে ছন্দহীন থাকা ইউনাইটেডের জন্য এই জয় বাড়তি আত্মবিশ্বাস জোগাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে সাবাহর জন্য এটি ছিল প্রথমবার শীর্ষ ইউরোপীয় ক্লাবের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা, যা তাদের সামর্থ্যের সীমাবদ্ধতাই স্পষ্ট করেছে।
মিউনিখে নিজেদের মাঠে প্রথমার্ধে রক্ষণাত্মক বোডো/গ্লিমটের বিপক্ষে গোলের দেখা পায়নি বায়ার্ন মিউনিখ। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই বদলে যায় চিত্র। জামাল মুসিয়ালার গোলে শুরুর পর হ্যারি কেইনের হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়, আর আলফনসো ডেভিসের গোলে তা তিনে পৌঁছায়। শেষদিকে জোড়া গোল করে জয় নিশ্চিত করেন মাইকেল ওলিসে, ম্যাচ শেষ হয় ৫-০ গোলে বায়ার্নের পক্ষে।
চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেক রাঙাতে যাওয়ার আগে মাঠ প্রস্তুতি নিয়ে জটিলতায় পড়েছিল ইতালির ক্লাব কোমো। উয়েফার শর্ত পূরণ করতে না পারলে তাদের ঘরের মাঠের ম্যাচ খেলতে হতো অন্য শহরে। তবে সেই সংকট কাটিয়ে নিজেদের মাঠেই খেলার সুযোগ পাওয়া কোমো আরবি লাইপজিগকে হারিয়েছে ৪-১ গোলে।
প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধান গড়ে কোমো। দ্বিতীয়ার্ধে আসান দিয়াও তৃতীয় গোল করার পর লাইপজিগের হয়ে একটি গোল শোধ দেন আন্দ্রিয়া মাকসিমোভিচ। তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মাক্সিমো পেরোনের গোলে বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের দল।
মতামত দিন