এলিস স্টেফানিককে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত করছেন ট্রাম্প
প্রতিনিধি পরিষদের (কংগ্রেস) রিপাবলিকান কনফারেন্সের চেয়ার এলিস স্টেফানিককে তার দ্বিতীয় প্রশাসনে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পদে মনোনয়ন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিউইয়র্ক পোস্ট জানায়, রোববার (১০ নভেম্বর) বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার পরবর্তী প্রশাসনে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে কংগ্রেস সদস্য এলিস স্টেফানিককে মনোনয়ন দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি। এলিস অবিশ্বাস্যভাবে শক্তিশালী, কঠোর ও স্মার্ট আমেরিকান এবং সম্মুখসারির যোদ্ধা’।
রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইক ললার স্টেফানিককে অভিনন্দন জানিয়ে লিখেছেন, ‘তিনি জাতিসংঘে ঝড় তুলবেন, যুক্তরাষ্ট্র বিরোধিতা এবং ইসরায়েলের ধর্মান্ধতা, ইহুদি-বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই এবং প্রতিপক্ষকে জবাবদিহি করাতে বাধ্য করবেন।
‘এলিস মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং বিশ্বে আমেরিকার নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় সহায়তার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হবেন’ -যোগ করেন লোলার।
ইউনাইটেড এগেইনস্ট নিউক্লিয়ার ইরানের পলিসি ডিরেক্টর জ্যাসন ব্রডস্কি লিখেছেন, কংগ্রেসওম্যান, যিনি ‘ইরান সরকারের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের বড় সমর্থক’, তিনি হবেন ‘জাতিসংঘের চমৎকার রাষ্ট্রদূত’।
ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা রিচার্ড গোল্ডবার্গ লিখেছেন, ‘জাতিসংঘ সদর দপ্তর টার্টল বেজুড়ে চিৎকার ও কান্নার খবর পাওয়া যাচ্ছে’।
ইসরায়েলে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রিডম্যান বলেন, ‘দারুণ সিদ্ধান্ত’।
এর আগে স্টেফানিক লিখেছিলেন, দিনটা ছিল ‘৪০০তম দিন’।
তিনি লেখেন, ‘ইসরায়েলে ৭ অক্টোবরের বর্বরোচিত হামলাকালে হামাস সন্ত্রাসীদের হাতে নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের অপহরণের ৪০০ দিন পেরিয়ে গেছে। গাজায় এখনও সাত আমেরিকানসহ ১০০ জনেরও বেশি জিম্মি রয়েছেন। তাদের এখনই বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে’।
ক্যাম্পাসে ইহুদিদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তদন্তের প্রয়াসে শিক্ষা এবং কর্মশক্তি সম্পর্কিত হাউস কমিটির সোচ্চার সদস্য ছিলেন কংগ্রেসওম্যান এলিস স্টেফানিক।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে