ছাত্রলীগ সন্দেহে মারধরের পর পুলিশে দেওয়া তিতুমীর কলেজের ছাত্র নাজিম কারাগারে
তিতুমীর কলেজের ছাত্র নাজিম উদ দৌলাকে মারধর করে পুলিশের কাছে দেওয়ার পর সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। নাজিমের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী এ তথ্য জানিয়েছেন।
২৫ বছর বয়সী নাজিম তিতুমীর কলেজের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাসিন্দা এবং গাজীপুরের টেকনোপাড়া এলাকায় থাকেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ইনকোর্স পরীক্ষা শেষে তিতুমীর কলেজ থেকে বের হওয়ার সময় একদল ছাত্র তাকে আটক করে মারধর করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বনানী থানার একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই কামাল হোসেন আদালতে নাজিমকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে ছাত্ররা তাকে আটক করে। এ সময় ধস্তাধস্তিতে তিনি সামান্য আহত হন এবং তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
নাজিমের আইনজীবী জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
আদালতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় নাজিম অভিযোগ করেন, ছাত্রলীগ সন্দেহ করে ছাত্রদল আমাকে আটক করে প্রচণ্ড মারধর করে। এরপর পুলিশের কাছে তুলে দেয়।
তবে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর বনানীর একটি এলাকায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একটি মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বনানী থানায় করা মামলায় নাজিমকে ‘সন্দেহভাজন আসামি’ হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
পুলিশের করা মামলায় তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের আওতায় আদালতে হাজির করা হয়।
মতামত দিন