Views Bangladesh Logo

সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্যই এ বাজেট: অর্থমন্ত্রী

প্রস্তাবিত বাজেটটি দেশের সব শ্রেণি ও পেশার মানুষের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, স্বৈরশাসনের সময় মানুষের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি।

তিনি বলেন, গত দেড় দশকে প্রণীত বাজেটগুলোতে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেনি। বর্তমান সরকার নৈতিক ভিত্তির ওপর রাষ্ট্র পরিচালনার চেষ্টা করছে এবং অর্থের অপচয় রোধে গুরুত্ব দিয়ে প্রকল্প গ্রহণ করছে।

প্রস্তাবিত বাজেট প্রণয়নের নীতি ও দর্শন তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সবার বাংলাদেশ’, অর্থনৈতিক গণতন্ত্র এবং নৈতিকতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার অপচয়নির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে জবাবদিহিমূলক ও কার্যকর ব্যয় ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ভবিষ্যতে প্রকল্প ও ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে চারটি বিষয়কে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—অর্থের যথাযথ মূল্য (ভ্যালু ফর মানি), বিনিয়োগের প্রতিফল (রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট), কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশগত প্রভাব। এসব মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সর্দার মো. সাখাওয়াত হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী এ এন এম এহসানুল হক মিলন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাক রহমান।

এর আগে বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী, যা দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং অর্থনীতিকে আরও উৎপাদনমুখী ও বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্য সামনে রেখে বাজেটটি প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানানো হয়।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ