গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিলেন ওই নারী, কাজটি অনৈতিক নয়: জামায়াত এমপি খালেক
সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক জামায়াত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে আলোচিত বিয়ে–বিতর্কে নতুন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি দাবি করেছেন, সংশ্লিষ্ট নারী নিজেই গাজী নজরুল ইসলামকে সেবা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তার ভাষায়, ঘটনাটি ‘অসামাজিক’ হলেও ‘অনৈতিক’ নয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের গোটাঘাটা মসজিদে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রীসহ উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে তারা জানতে পারেন, ওই নারী অন্য কোথাও বিয়ে করতে চাননি। বরং তিনি যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন গাজী নজরুল ইসলামকে সেবা করতে চান বলে জানান। পরে তার মা-বাবা নিজ বাড়িতে বিয়ের ব্যবস্থা করেন।
তিনি বলেন, ঘটনাটি সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়নি বলেই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে। একই সঙ্গে তার সংসদ সদস্য পদও বাতিলের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, গাজী নজরুল ইসলামের মতো দায়িত্বশীল একজন ব্যক্তির কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত ছিল না। মসজিদের একজন ইমামের ভুল ও সাধারণ মানুষের ভুল একভাবে দেখা যায় না উল্লেখ করে তিনি বলেন, নেতৃত্বের অবস্থানে থাকা ব্যক্তির ভুলের গুরুত্বও বেশি। সে কারণেই দল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে।
শিবপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মতামত দিন