চবি ‘ঝুপড়ি’র নতুন সভাপতি তানিয়া, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ঝুপড়ি’র নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে। সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে তানিয়া কামাল সভাপতি এবং মোহাম্মদ এরশাদ করিম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবে।
গত ২৬ জুন চট্টগ্রামের ষোলশহরে সংগঠনের কার্যালয়ে অফলাইন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে অনলাইনেও ভোট গ্রহণ করা হয়। অফলাইন ভোট চলে বিকেল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে এক ঘণ্টার মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন—রাজীব বিশ্বাস, অনিক বড়ুয়া, মো. ইদ্রিস, সাকিয়া সুলতানা, বেলায়েত হোসেন, মো. সাইফুল আজম, মহুয়া মহাজন, মো. আলমগীর খান, মো. এনামুল হক, মো. ইসমাইল ও জয়ীতা মজুমদার।
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তাজদার আলম, গোলাম রাব্বানী, ফারহানা কবির, হাসান উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইলিয়াস।
ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিত কমিটিকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের সদস্যরা।
অনুভূতি প্রকাশ করে নবনির্বাচিত সভাপতি তানিয়া কামাল বলেন, আমাদের ক্যাম্পাস যেমন আমাদের প্রাণ, তেমনি ঝুপড়িও হবে আমাদের প্রাণের ঝুপড়ি।
তিনি সংগঠনের সদস্যদের ঐক্যবদ্ধ থেকে ঝুপড়ির কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ এরশাদ করিম বলেন, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বকে আমি কোনো পদ বা ক্ষমতার জায়গা থেকে দেখি না। আমি এটিকে দেখি একটি সেতুর দায়িত্ব হিসেবে—বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর, ব্যাচের সঙ্গে ব্যাচের এবং প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের সংযোগ তৈরি করার দায়িত্ব। আমি চাই, ঝুপড়ির প্রতিটি সদস্য নিজেকে এই পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করুক এবং ক্লাবের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তার মতামত ও অংশগ্রহণ মূল্যায়িত হোক।
সংগঠনের সদস্যদের মতে, ‘ঝুপড়ি’র নির্বাচন বরাবরের মতোই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণাকে ঘিরে ছিল উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্ব এবং মিলনমেলার আবহ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আত্মিক বন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আজীবন সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠা ‘ঝুপড়ি’ ইতোমধ্যে পুনর্মিলনী, সামাজিক উদ্যোগ, অসহায় সদস্যদের সহায়তা, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সক্রিয় ও প্রাণবন্ত কমিউনিটি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। নতুন কমিটির নেতৃত্বে সংগঠনটি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত পরিসরে মানবিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে বলে প্রত্যাশা সদস্যদের।
মতামত দিন