সুইজারল্যান্ড ০ (৪) - কলম্বিয়া ০ (৩)
সুইজারল্যান্ড-কলম্বিয়া ফিফা বিশ্বকাপ: লাইভ স্কোর এবং সর্বশেষ অবস্থা
টাইব্রেকার | ৪-৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড
১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের নাটকীয়তায় নির্ধারিত হলো শেষ আটের শেষ দল। ট্রাইব্রেকারের মত স্নায়ুচাপের পরীক্ষায় ৪-৩ ব্যবধানে কলম্বিয়াকে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে সুইজারল্যান্ড। শেষ স্পটকিকে অসাধারণ স্থিরতা দেখিয়ে বল জালে জড়ান রুবিন ভার্গাস। তার সফল শটেই উল্লাসে ফেটে পড়ে সুইস শিবির, আর হতাশায় ভেঙে পড়েন কলম্বিয়ার ফুটবলাররা।
পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল দুই দলের সমানতালে লড়াই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে যেমন কোনো দল গোল করতে পারেনি, তেমনি অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও রক্ষণভাগের দৃঢ়তা ভাঙতে ব্যর্থ হয় উভয় দল। মাঝমাঠে বল দখল, শক্তিশালী ট্যাকল এবং গোলরক্ষকদের সতর্ক পারফরম্যান্সে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যই থেকে যায়। ফলে নকআউট পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ লড়াই গড়ায় টাইব্রেকারে।
টাইব্রেকারেও শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। দুই দলই একের পর এক স্পটকিক থেকে গোল আদায় করলেও শেষ পর্যন্ত ভাগ্য সহায় হয় সুইজারল্যান্ডের। নির্ধারক পঞ্চম শটে রুবিন ভার্গাস কোনো ভুল না করে বল জালে পাঠালে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় সুইসদের। সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় খেলোয়াড় ও সমর্থকদের বাঁধভাঙা উদযাপন। অন্যদিকে, ১২০ মিনিট ধরে অসাধারণ লড়াই করেও স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হলো কলম্বিয়াকে। পুরো ম্যাচে তারা আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেললেও শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের নির্মম পরিণতি এড়াতে পারেনি। গোলশূন্য ম্যাচে শেষ হাসিটা হাসল সুইজারল্যান্ডই।
এই জয়ের ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ড। অন্যদিকে সাহসী লড়াই উপহার দিয়েও শেষ আটের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল কলম্বিয়ার।
১২০ মিনিট | অতিরিক্ত সময়ও শেষ! ভাগ্য নির্ধারণ হবে টাইব্রেকারে
১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পরও গোলের দেখা পেল না কোনো দল। অতিরিক্ত সময়ের শেষ বাঁশি বাজতেই নিশ্চিত হয়ে গেল, সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার এই হাইভোল্টেজ শেষ ষোলোর লড়াইয়ের নিষ্পত্তি হবে টাইব্রেকারে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মতো অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও দুই দলের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি কেউ। ক্লান্তি, চাপ আর স্নায়ুর লড়াইয়ে জমে ওঠা ম্যাচটি এবার গড়াচ্ছে ফুটবলের সবচেয়ে নাটকীয় পরীক্ষায়। এখন একের পর এক পেনাল্টি শটই নির্ধারণ করবে; কে পাবে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলার টিকিট, আর কার বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হবে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ে।
১০৫+২ মিনিট | অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধ শেষ, এখনও গোলশূন্য অচলাবস্থা
অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ১৫ মিনিটের লড়াই শেষেও গোলের দেখা পেল না কোনো দল। সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া দুই দলই সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি কেউ। ক্লান্তি এখন স্পষ্ট ফুটে উঠছে খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায়, তবু শেষ শক্তিটুকু দিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে দুই দল।
এখন বাকি আর মাত্র ১৫ মিনিট। এই সময়ের মধ্যেও যদি কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারে, তবে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ নির্ধারণ হবে স্নায়ুচাপের টাইব্রেকারে।
৯০+৬ মিনিট | নির্ধারিত সময় শেষ, ম্যাচ গড়াল অতিরিক্ত সময়ে!
রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে শেষ হলো নির্ধারিত ৯০ মিনিট, কিন্তু গোলের দেখা পেল না কোনো দল। যোগ করা ছয় মিনিটেও একাধিক আক্রমণ হলেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যই রয়ে গেল সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার লড়াই। নির্ধারিত সময়ের ফল: সুইজারল্যান্ড ০–০ কলম্বিয়া।
এবার শুরু হচ্ছে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই। এখানেও যদি নিষ্পত্তি না হয়, তবে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হবে টাইব্রেকারে। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হওয়ার লড়াইয়ে এখন প্রতিটি মুহূর্তই হয়ে উঠেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ।
৯০ মিনিট | যুক্ত হলো অতিরিক্ত ৫ মিনিট
নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পর চতুর্থ কর্মকর্তা অন্তত ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময়ের সংকেত দেন। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নির্ধারণের লড়াইয়ে এই সময়টুকুই হতে পারে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেওয়ার শেষ সুযোগ। গোলশূন্য অচলাবস্থা ভাঙতে দুই দলই এখন সর্বশক্তি দিয়ে আক্রমণে ঝাঁপাবে।
৮০ মিনিট | বিপজ্জনক জায়গায় ফাউল, সুইজারল্যান্ডের সামনে সুযোগ
দ্রুতগতির আক্রমণে এগিয়ে যাচ্ছিলেন দান এনদোয়ে। তাকে থামাতে গিয়ে বিপজ্জনক এলাকায় ফাউল করেন কলম্বিয়ার ড্যানিয়েল মুনিওস। ফলে গোলের জন্য ভালো অবস্থান থেকে ফ্রি কিক পায় সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের শেষ দিকে এই সেটপিসটি সুইসদের জন্য বড় সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।
৬৮ মিনিট | দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেক, গোলশূন্য সমতা
দ্বিতীয় হাইড্রেশন ব্রেক শুরু। ৬৮ মিনিট পর্যন্ত দুই দলের লড়াই সমানে সমান। সুইজারল্যান্ড তুলনামূলক বেশি আক্রমণ করলেও ক্যামিলো ভার্গাসের দৃঢ় গোলকিপিংয়ে গোলের দেখা পায়নি। অন্যদিকে কলম্বিয়াও পাল্টা আক্রমণে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত জাল খুঁজে পায়নি। ফলে হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায় রয়েছে।
৫৯ মিনিট | হলুদ কার্ড দেখলেন জাকারিয়া
মাঝমাঠে প্রতিপক্ষের আক্রমণ থামাতে গিয়ে ফাউল করেন সুইজারল্যান্ডের ডেনিস জাকারিয়া। এতে দেরি না করে। রেফারি তাকে হলুদ কার্ড দেখান। ম্যাচের বাকি সময়ে তাই আরও সতর্ক হয়ে খেলতে হবে সুইস এই মিডফিল্ডারকে।
৫২ মিনিট | অল্পের জন্য গোল পেল না সুইজারল্যান্ড
ফ্রি কিক থেকে গোলের দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিল সুইজারল্যান্ড। বক্সের বাইরে থেকে ফাবিয়ান রিডার বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট নেন। বলটি গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও অল্পের জন্য পোস্টের বাঁ পাশ ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। দুর্দান্ত এই প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে কলম্বিয়া।
৪৮ মিনিট | গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করলেন জিব্রিল সো
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল সুইজারল্যান্ড। বক্সের ভেতরে অনুকূল অবস্থানে বল পেয়ে গোলের চেষ্টা করেন সাও। মুহূর্তের জন্য কলম্বিয়ার রক্ষণভাগকে এলোমেলোও করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি সুইস এই মিডফিল্ডার। ফলে গোলশূন্যই রয়ে যায় ম্যাচের স্কোরলাইন।
বিরতি | গোলশূন্য প্রথমার্ধ, জমে উঠেছে সুইজারল্যান্ড-কলম্বিয়া লড়াই
শেষ হলো প্রথমার্ধ। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে দুই দলের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সংগঠিত রক্ষণ এবং গোলরক্ষকদের দৃঢ়তায় স্কোরলাইন বিরতিতে থেকেছে ০-০।
প্রথমার্ধে সুইজারল্যান্ড তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে। ২৮তম মিনিটে ফাবিয়ান রিডারের বাঁ পায়ের শক্তিশালী শট দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ক্যামিলো ভার্গাস। অন্যদিকে ৩২তম মিনিটে লুইস দিয়াজের জোরালো শট সময়মতো প্রতিহত করে বিপদমুক্ত হয় সুইস রক্ষণভাগ। দুই দলই কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ তৈরি করলেও শেষ মুহূর্তে কার্যকর ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আসেনি।
৪৫ মিনিট | প্রথমার্ধে যোগ করা হলো ৩ মিনিট
নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষ হওয়ার পর প্রথমার্ধে আরও অন্তত ৩ মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করেছেন চতুর্থ রেফারি। বিরতির আগে শেষ কয়েক মিনিটে ম্যাচে নতুন কোনো নাটকীয় মুহূর্ত আসে কি না, সেদিকেই এখন নজর সবার। দুই দলই প্রথমার্ধ ইতিবাচক ফল নিয়ে শেষ করার লক্ষ্যে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আক্রমণ চালিয়ে যাবে।
৩২ মিনিট | লুইস দিয়াজের শট রুখে দিল সুইস রক্ষণ
দ্রুতগতির এক আক্রমণে গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল কলম্বিয়া। বক্সের মাঝখান থেকে ডান পায়ে জোরালো শট নেন লুইস দিয়াজ। তবে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণভাগ সময়মতো সামনে এসে শটটি প্রতিহত করে দেয়। ফলে সমতায় ফেরার বা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় কলম্বিয়ার।
২৮ মিনিট | ভার্গাসের দুর্দান্ত সেভে বাঁচল কলম্বিয়া
গোলের দারুণ একটি সুযোগ তৈরি করেছিল সুইজারল্যান্ড। বক্সের বাম দিক থেকে ফাবিয়ান রিডার বাঁ পায়ের জোরালো শট নেন। তবে অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি গোলপোস্টের ওপরের মাঝামাঝি দিক থেকে ফিরিয়ে দেন কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ক্যামিলো ভার্গাস। তার চমৎকার সেভে নিশ্চিত গোলের হাত থেকে রক্ষা পায় কলম্বিয়া।
২৩ মিনিট | প্রথমার্ধে হাইড্রেশন ব্রেক
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই দারুণ ছন্দে খেলছে। রেফারির প্রথম বাঁশির পর থেকেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণে জমে উঠেছে লড়াই। মাঝমাঠে বলের দখল নিয়ে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে, আর দুই দলই দ্রুতগতির ফুটবলে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ফাঁক খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
প্রথম ২৩ মিনিটে কয়েকটি সম্ভাবনাময় আক্রমণ তৈরি হলেও কোনো দলই শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি। রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং গোলরক্ষকদের সতর্কতায় স্কোরলাইন এখনো গোলশূন্য। এরপর বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেকের জন্য খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
১ মিনিট | সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার খেলা শুরু
রেফারির প্রথম বাঁশির সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে গেল শেষ ষোলোর শেষ লড়াই। কোয়ার্টার ফাইনালের শেষ টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে দুই দল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে উভয় পক্ষ। এখন দেখার বিষয়, শুরুতেই কে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে প্রথম আঘাত হানতে পারে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল শেষ আটে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে।
সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার রাউন্ড অব ১৬ লড়াইয়ের একাদশ ঘোষণা
ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর রাউন্ড অব ১৬-এর অত্যন্ত আকর্ষণীয় এক লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়া। দুই দলের কোচই তাদের চূড়ান্ত একাদশ সাজিয়ে ফেলেছেন, যেখানে ইউরোপীয় শৃঙ্খলা বনাম দক্ষিণ আমেরিকান ঝলক ও তীব্রতার এক জমজমাট দ্বৈরথ দেখার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।
সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন দলকে সাজিয়েছেন ভারসাম্যপূর্ণ ৪-২-৩-১ ছকে, যার লক্ষ্য মাঠের মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রেখে চাপ সামলে সুসংগঠিত পাল্টা আক্রমণে যাওয়া। গোলবারের নিচে থাকছেন গ্রেগর কোবেল, তার সামনে শক্তিশালী কেন্দ্রীয় রক্ষণজুটি হিসেবে থাকছেন মানুয়েল আকানজি ও নিকো এলভেদি, আর অভিজ্ঞ রিকার্দো রদ্রিগেজ সামলাবেন তার চিরচেনা ফ্ল্যাঙ্কের দায়িত্ব।
মাঝমাঠে ডেনিস জাকারিয়া ও অধিনায়ক গ্রানিত জাকা মিলে গড়ে তুলবেন শক্তিশালী ডাবল-পিভট জুটি, যা মধ্যমাঠে দলের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। রেমো ফ্রয়লার খেলবেন কিছুটা এগিয়ে থাকা কেন্দ্রীয় ভূমিকায় খেলা পরিচালনার দায়িত্বে, তার দুই পাশে সৃজনশীলতার জোগান দেবেন ড্যান এনদোয়ে ও ফাবিয়ান রিডার। একমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে আক্রমণের নেতৃত্বে থাকবেন ব্রিল এমবোলো, যার শারীরিক উপস্থিতি কলম্বিয়ার কেন্দ্রীয় রক্ষণে ভাঙন ধরানোর কাজে লাগানো হবে। বেঞ্চেও শক্তিশালী বিকল্প রেখেছেন ইয়াকিন—আক্রমণে নতুন গতি জোগাতে প্রস্তুত থাকবেন নোয়া ওকাফোর ও রুবেন ভার্গাসের মতো খেলোয়াড়।
অন্যদিকে কলম্বিয়ার কোচ নেস্তর গ্যাব্রিয়েল লরেনসো দলকে সাজিয়েছেন প্রবহমান ৪-৩-৩ ছকে, যার উদ্দেশ্য উইং দিয়ে বিস্ফোরক গতি কাজে লাগিয়ে খেলার গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। গোলবারের নিচে থাকছেন কামিলো ভার্গাস, তার সামনে দৃঢ় রক্ষণভাগের মূল স্তম্ভ হিসেবে থাকবেন দাভিনসন সানচেজ ও জন লুকুমি, আর দুই ফুলব্যাক পজিশনে শুরু করবেন দানিয়েল মুনিয়োজ ও জোহান মহিকা।
মধ্যমাঠে রক্ষণাত্মক দায়িত্ব সামলাতে জুটি বাঁধবেন জেফারসন লেরমা ও গুস্তাভো পুয়ের্তা, যা জন আরিয়াসকে আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার স্বাধীনতা দেবে। আক্রমণভাগ রীতিমতো ভয়ংকর দেখাচ্ছে—অভিজ্ঞ হামেস রদ্রিগেজ খেলবেন সৃজনশীল এক ভাসমান ভূমিকায়, তার সহায়তায় থাকবেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা লুইস সুয়ারেজ ও লিভারপুলের বিদ্যুৎগতির উইঙ্গার লুইস দিয়াজ, যিনি কলম্বিয়ার প্রধান আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবেই বিবেচিত। বেঞ্চেও বিশাল গভীরতা ধরে রেখেছেন লরেনসো—ইয়েরি মিনা, হুয়ান ফের্নান্দো কিন্তেরো ও জন কর্দোবার মতো খেলোয়াড়রা মাঠের বাইরে থেকে ম্যাচে প্রভাব ফেলতে প্রস্তুত।
সুইজারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দল
মূল একাদশ: ১ জি. কোবেল (গোলরক্ষক), ১৩ আর. রদ্রিগেজ (রক্ষণ), ৫ এম. আকানজি (রক্ষণ), ৪ এন. এলভেদি (রক্ষণ), ৬ ডি. জাকারিয়া (রক্ষণ), ১০ জি. জাকা (মধ্যমাঠ), ৮ আর. ফ্রয়লার (মধ্যমাঠ), ১১ ডি. এনদোয়ে (মধ্যমাঠ), ১৪ এ. জাশারি (মধ্যমাঠ), ২২ এফ. রিডার (মধ্যমাঠ), ৭ বি. এমবোলো (আক্রমণ)।
বিকল্প খেলোয়াড়: ২ এম. মুহাইম, ৩ এস. উইডমার, ১২ ওয়াই. ম্ভোগো, ১৫ ডি. সো, ১৬ সি. ফাসনাখট, ১৭ আর. ভার্গাস, ১৮ ই. কোমার্ট, ১৯ এন. ওকাফোর, ২১ এম. কেলার, ২৩ জেড. আমদোনি, ২৪ এ. আমেন্দা, ২৬ সি. ইত্তেন।
কোচ: মুরাত ইয়াকিন
কলম্বিয়া জাতীয় ফুটবল দল
মূল একাদশ: ১২ সি. ভার্গাস (গোলরক্ষক), ২ ডি. মুনিয়োজ (রক্ষণ), ৩ জে. লুকুমি (রক্ষণ), ২৩ ডি. সানচেজ (রক্ষণ), ১৭ জে. মহিকা (রক্ষণ), ১১ জে. আরিয়াস (মধ্যমাঠ), ১৬ জে. লেরমা (মধ্যমাঠ), ১৪ জি. পুয়ের্তা (মধ্যমাঠ), ৭ এল. দিয়াজ (আক্রমণ), ১০ জে. রদ্রিগেজ (আক্রমণ), ২৫ এল. সুয়ারেজ (আক্রমণ)।
বিকল্প খেলোয়াড়: ১ ডি. ওসপিনা, ৪ এস. আরিয়াস, ৫ কে. কাস্তানিয়ো, ৬ আর. রিওস, ৮ জে. কারাসকাল, ৯ জে. কর্দোবা, ১৩ ওয়াই. মিনা, ১৫ জে. পোর্তিয়া, ১৮ ডব্লিউ. দিত্তা, ১৯ সি. এরনান্দেজ, ২০ জে. কিন্তেরো, ২১ জে. কাম্পাজ, ২২ ডি. মাচাদো, ২৪ এ. মন্তেরো, ২৬ এ. গোমেজ।
কোচ: নেস্তর গ্যাব্রিয়েল লরেনসো
মতামত দিন