ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যাকাণ্ডে আত্মীয় গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ ও হত্যা করার ঘটনায় মূল আসামি শরিফুল ইসলাম (২৮)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি বাশের গুড়ি, হাতুড়ি ও রডও উদ্ধার করা হয়েছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম নিহত স্কুলছাত্রী জামিলা আক্তারের বাবার খালাতো ভাই, অর্থাৎ সম্পর্কের দিক থেকে জামিলার কাকা ও তার দাদির আপন বোনের ছেলে।
রোববার (১ মার্চ) দুপুরে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রধান আসামিকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে তিনি ঘটনার বর্ণনা দেন।
পুলিশ জানায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে ঘটনা ঘটার পর পরের দিন শরিফুল ইসলামকে বাড়ি থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে এককভাবে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। ওইদিনই রাত ১২টার দিকে নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে মর্জিনা খাতুন অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে মামলা দায়ের করেন।
স্থানীয়রা জানান, ২৭ তারিখ মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নার আওয়াজ শুনে বাইরে বের হন। পরের দিন সকালে বাড়ির উঠানে দাদী সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ এবং সরিষার ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় নাতনী জামিলার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা জানান, জামিলা আক্তারের বাবা জয়নাল খা ঢাকায় থাকায় দাদী ও জামিলা একাই বাস করতেন। জামিলা কোরআনের হাফিজিয়া ছিলেন এবং পার্শ্ববর্তী একটি দাখিল মাদ্রাসায় ৯ম শ্রেণীতে পড়াশোনা করতেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে