হজযাত্রীদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ ‘অসত্য’: প্রতিমন্ত্রী
১৫০ হজযাত্রীর লাগেজ কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তা 'অসত্য ও বিভ্রান্তিকর' বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রাশেদুজ্জামান মিল্লাত।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের তথ্য বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে ট্যাগ করে পোস্ট করা হলে সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তে বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ ও বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার রেকর্ডিং পর্যালোচনা করা হয়। তবে লাগেজ কেটে মালামাল চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এখন ফ্লাইটে আসা মোট ৮৩৬ পিস লাগেজের মধ্যে গ্রাউন্ড স্টাফদের মৌখিক বিবরণের ভিত্তিতে ২১টি লাগেজ ছেঁড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, এ ধরনের ঘটনা অনেক সময় তরল পদার্থ বা নিষিদ্ধ পণ্যের নিরাপত্তা পরীক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে থাকে।
তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালা অনুযায়ী কোনো হাজি বা যাত্রী মূল চেকিং লাগেজের ভেতরে কোনো অবস্থাতেই জমজমের পানি বা যথাযথ সিলগালা না করে লিকুইড প্রসাধন সামগ্রী বহন করতে পারবেন না। এটা একটা নিয়ম। স্ক্যানিংয়ে এ ধরনের পণ্য পাওয়া গেলে তা খুলে দেখা বা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালিত তদন্তে লাগেজ চুরি বা ক্ষতির কোনো প্রমাণ না পাওয়ার কথা পুনরায় নিশ্চিত করে প্রতিমন্ত্রী সামাজিক মাধ্যমের ভাইরাল পোস্টগুলোকে 'বিভ্রান্তিকর' বলে অভিহিত করেন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জনগণকে যেকোনো তথ্য যাচাই করে তারপর শেয়ার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সতর্ক করে বলা হয়েছে, যাচাইবিহীন অনলাইন পোস্ট যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে অহেতুক বিভ্রান্তি ও উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে