ছয় জেলায় বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু
দেশের ছয় জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় এক স্কুলছাত্রসহ ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে বরগুনা, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, পিরোজপুর, বরিশাল ও চাঁদপুরে এসব ঘটনা ঘটে।
বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের মস্তুকটানা এলাকায় বজ্রপাতে মো. মহিউদ্দিন (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা মো. সেকান্দরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে কৃষিজমিতে কোদাল দিয়ে মাটি কাটার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নে ফসলের মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন মজিবর সরদার (৫০)। তিনি মৃত আয়নাল সরদারের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির মধ্যে গরু নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় বজ্রপাতের আঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের মৃধাপাড়া গ্রামে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান মুছা হাওলাদার (৪৫)।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী এলাকায় বজ্রপাতে ছোয়ারাব জোমাদ্দার (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আকস্মিক বৃষ্টি শুরু হলে মাঠে চরে থাকা গরু খুঁজতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন তিনি। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার উত্তর শিহিপাশা গ্রামে মাছের ঘেরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে তানভীর খান (১৮) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
তানভীর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের সাইসাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে নবী হোসেন মিজি (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, জুমার নামাজের আগে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ধানক্ষেতের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতের আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে