শেরপুরে জামায়াত নেতা নিহতের তিন দিন পর মামলা, আসামি ৬ শতাধিক
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম (৪২) নিহতের ঘটনার তিন দিন পর থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলায় ২৩৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে নিহত রেজাউল করিমের স্ত্রী মার্জিয়া বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় মামলাটি করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান। তিনি জানান, গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঝিনাইগাতী উপজেলায় একটি নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সংঘর্ষের সময় রেজাউল করিম নিহত হন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলায় কারা কারা আসামি, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
একটি সূত্র জানিয়েছে, মামলায় বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। পুলিশের একটি সূত্রও মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
এদিকে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের হত্যার প্রতিবাদ ও দ্রুত বিচারের দাবিতে শেরপুর জেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে শহরের মাইসাহেবা মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি গেটে গিয়ে শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা রেজাউল করিম হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান এবং প্রশাসনের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে