Views Bangladesh Logo

৭ বারের এমপি মেজর (অব.) হাফিজ এবার ত্রয়োদশ সংসদ পরিচালনায়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। একসময় সাড়া জাগানো ফুটবলার ও মুক্তিযুদ্ধে হাফিজ উদ্দিন অসামান্য অবদানের জন্য রাষ্ট্রের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্ব পদবি বীরবিক্রমে ভূষিত হয়েছেন।

ভোলা-৩ আসন থেকে ৭ বারের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হাফিজের রাজনৈতিক জীবন বর্ণাঢ্য। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসিকতা, তৎকালীন পাকিস্তান ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে কৃতিত্ব এবং ১৯৬৪ থেকে তিনবার পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানব হওয়ার রেকর্ড এই ক্যারিয়ারে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। তার বাবা ডাক্তার আজহার উদ্দিনও পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের দুইবার নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

হাফিজ উদ্দিন রাজনীতিতে এসে মানুষের মন জয় করেছেন। তিনি ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে ভোলা-৩ আসন থেকে সংসদে যান। ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদেরকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করেন। বিজয়ের পর ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন।

বিএনপির হয়ে হাফিজ ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ ও সপ্তম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হন। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। অষ্টম জাতীয় সংসদে খালেদা জিয়ার তৃতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি পাটমন্ত্রী (২০০১-২০০৩) এবং পানিসম্পদমন্ত্রী (২০০৩-২০০৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ হাফিজ উদ্দিন বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য। ২০২৪ সালের গণঅভুত্থানের পর লালমোহন-তজুমদ্দিনের বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

৮১ বছর বয়সি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক শক্তি কাজে লাগিয়ে তিনি সপ্তমবারের মতো সংসদে প্রবেশ করেছেন এবং এবার ত্রয়োদশ সংসদ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ