ফরিদপুরে হাইওয়ে থানার পাশে পুলিশের হেফাজতে থাকা বাসে আগুন
ফরিদপুর সদর উপজেলার করিমপুর হাইওয়ে থানার পাশে পুলিশের হেফাজতে রাখা একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ফরিদপুর-খুলনা মহাসড়কের থানার সামনের খোলা মাঠে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনে বাসটির বেশির ভাগ অংশ পুড়ে গেছে।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুস সালাম জানান, রাত ১০টা ২৭ মিনিটে বাসে আগুন লাগার খবর পান তারা। ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় আগুন নেভানো হয়।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা শ্রীবাস বাড়ৈ জানান, রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শ্রীবাস বাড়ৈ বলেন, কয়েল, সিগারেটের আগুন, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন ধরিয়ে দেওয়া কিংবা অন্য কোনো কারণে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্তের পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে মধুখালী উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের মেছড়দিয়া মোড় এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দুর্ঘটনার শিকার হয় পূর্বাশা পরিবহনের বাসটি। মহাসড়কের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা ময়দার বস্তাবোঝাই একটি ট্রাকের পেছনে বাসটি ধাক্কা দিলে এর সুপারভাইজার নিহত হন। এরপর দুর্ঘটনার আলামত হিসেবে বাসটি করিমপুর হাইওয়ে থানার হেফাজতে রাখা হয়েছিল।
ওসি আবদুস সালাম বলেন, কয়েক মাস আগে করিমপুর হাইওয়ে থানা নতুন ভবনে স্থানান্তর করা হয়েছে। নতুন স্থানে অবকাঠামোগত কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। থানার সামনে মহাসড়কঘেঁষা খোলা মাঠে জব্দ করা যানবাহন রাখা হয়। মাঠটির কোনো সীমানাপ্রাচীরও নেই।
তিনি বলেন, সীমানাপ্রাচীর থাকলে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। বাসে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
মতামত দিন