Views Bangladesh Logo

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর নদীতে ফেলে হত্যা, দুই যুবক আটক

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত কোহিনুর আক্তার (১৫) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩ জুলাই) বিকেলে কোহিনুর প্রাইভেট পড়তে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

রোববার রাতে বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে হামিদ পল্লাই এলাকার একটি নদীতে স্থানীয়রা এক কিশোরীর মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে কোহিনুরের মা পোশাক দেখে মরদেহটি তার মেয়ের বলে শনাক্ত করেন। তবে স্রোতের কারণে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই মরদেহটি ভেসে যায়।

ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মিঠামইনের মোহারপুর বেড়িবাঁধ এলাকা থেকে হৃদয় ও ইমরান নামে দুই যুবককে আটক করে।

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুজন কোহিনুরকে একটি নৌকায় নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা স্বীকার করেছে। পরে তার হাত-পা বেঁধে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলেও তারা জানিয়েছে। তবে এ দাবি আদালতে যাচাই হওয়া বাকি।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার বিকেলে মিঠামইনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। তারা ঘটনার দ্রুত বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ