রাবিতে আম্মার ও শিবির নেতাদের মারধরে শিক্ষার্থী আহতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের হামলা ও মারধরের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে গঠিত কমিটিকে ঘটনার ধারাবাহিকতা তদন্ত, দায়ীদের শনাক্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশসহ দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে হামলায় আহত দুই শিক্ষার্থী—মো. আনাস ও মাহমুদুল হাসানকে সন্ত্রাসীবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, শাহ মখদুম থানার মামলার তদন্তে তাদের অভিযুক্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এক নারী শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া ও হুমকির অভিযোগকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে প্রক্টর দপ্তরে বৈঠকের সময় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং আনাসকে ছাত্রলীগের কর্মী দাবি করে রাকসুর নেতারা তার মোবাইলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে ছবি পাওয়ার কথা বলেন। এরপর তাকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে বিকেলে রাকসু ভবন ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীদের পাঠকক্ষে ঢুকে লাঠি, রড, বাঁশ ও বেল্ট দিয়ে শিক্ষার্থীদের মারধরের দৃশ্য দেখা যায়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
মতামত দিন