রাকসু জিএসের 'মানসিক চিকিৎসার' বিষয়ে ভাবছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (রাকসু জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারের মানসিক চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ভিউজ বাংলাদেশকে এ তথ্য জানান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পোস্টার বা ব্যানার টাঙানোর বিষয়ে আইনগত কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন তালুকদার বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক এবং একই সঙ্গে রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের একটি সংগঠনের ব্যানারে নিজের নামে পোস্টার টাঙিয়েছিলেন। বিষয়টি জিএসের দৃষ্টিতে আপত্তিকর মনে হওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন। এতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
প্রক্টর আরও বলেন, একজন শিক্ষককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে হেনস্তা করা সমীচীন নয়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল জিএসের মানসিক চিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন করেছে। তার মানসিক সুস্থতার বিষয়ে চিকিৎসার বিষয়টি প্রশাসন ভাবছে, তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রবিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও রাজশাহী জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতির টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন সালাহউদ্দিন আম্মার। এ ঘটনার পর তাকে মানসিক চিকিৎসার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল মানববন্ধন করে। মানববন্ধন শেষে নেতাকর্মীরা উপাচার্যের কাছে একটি স্মারকলিপিও প্রদান করেন। দুপুরে ক্যাম্পাসের প্যারিস রোডে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
রাবি ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমদ রাহী বলেন, রাকসু জিএস ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অশোভন আচরণ ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন। এতে শিক্ষাবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, আম্মার মানসিক রোগে আক্রান্ত এবং একই সঙ্গে একজন নার্সিসিস্ট। তাই প্রশাসনকে দ্রুত তার মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা না করা হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এ বিষয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে