শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ২৩ জুন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত ২৩ জুন তারিখ ধার্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলা তদন্তকারী সংস্থা দুদক প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন তারিখ ধার্য করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১৬ সালে সেতুর টোল আদায়ে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম লিমিটেডকে নিয়োগ দিতে আগের দরপত্র ইচ্ছাকৃতভাবে বাতিল করে একক উৎসভিত্তিক দরপত্র আহ্বান করা হয়। এতে সরকার প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
দুদকের পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তানজিল হাসান আদালতে আবেদন করেন, আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক। উল্লেখ করা হয়, সিএনএস লিমিটেড মোট ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা বিল গ্রহণ করেছে, যেখানে পূর্ববর্তী একই সেতুর টোল আদায়ে সরকারি খরচ অনেক কম ছিল।
আদালত গত ২১ ডিসেম্বর আসামিদের বিদেশগমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে ছিলেন সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ আরও অনেকে।
দুদক জানিয়েছে, টোল আদায়ের এই চুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে সিএনএস লিমিটেডের পরিচালক, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সদস্যরা পরস্পর যোগসাজশে কাজ করেছেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে