রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
রাজশাহীতে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি বেড়েছে। আজ শুক্রবার বেলা তিনটায় ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ। গতকাল বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে ২৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার জানায়, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। মাঝে কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে কিছুটা স্বস্তি মিললেও গত কয়েক দিন ধরে তা আবার ঊর্ধ্বমুখী। এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া কার্যালয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী, ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রাকে মৃদু, ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রিকে মাঝারি, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রিকে তীব্র এবং ৪২ ডিগ্রি বা তার বেশিকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বলা হয়। সে হিসাবে রাজশাহীতে আজ মাঝারি তাপপ্রবাহ চলছে।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ রহিদুল ইসলাম বলেন, গতকালের তুলনায় আজ তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি বেড়ে ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে পৌঁছেছে, যা এই মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
তীব্র গরমে সব শ্রেণির মানুষ বিপাকে পড়েছেন। রাতেও তাপমাত্রা স্বস্তিদায়ক নয়। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে গরমজনিত রোগী বা হিটস্ট্রোকের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র শংকর কে বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে হিটস্ট্রোক কর্নার চালু রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া আছে। তিনি বলেন, ‘গরম অব্যাহত থাকলে শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়ার রোগী বাড়তে পারে।’
গরমে করণীয় সম্পর্কে তিনি পরামর্শ দেন, বাইরের ভাজাপোড়া ও খোলা শরবত এড়িয়ে চলতে হবে, ঢিলেঢালা পোশাক ও ছাতা ব্যবহার করতে হবে এবং প্রচুর পানি পান করতে হবে। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের জলযোজন ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করার প্রতি তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে