২০২৫-২৬ সালের প্রস্তাবিত বাজেট প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ: দেবপ্রিয়
২০২৫-২৬ সালের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটকে “হতাশার বাজেট” বলে আখ্যা দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
বুধবার (১৮ জুন) গুলশানের লেকশোর হোটেলে সিটিজেন প্ল্যাটফর্ম ফর এসডিজি আয়োজিত “জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬: অবহেলিতরা কী পেয়েছে?" শীর্ষক সংলাপে তিনি বলেন, বাজেটে বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্ভাবন ও সংবেদনশীলতার অভাব রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু বাজেটের প্রস্তাবগুলো প্রচলিত এবং সরকারের সম্ভাবনাকে প্রতিফলিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দাবিগুলো অমীমাংসিত রয়ে গেছে।’
সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ কমানোর বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৃদ্ধভাতা ৬০০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকা করা হলেও মুদ্রাস্ফীতির কারণে এটি ৯০০ টাকা করা দরকার। এর ফলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংকুচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের বাজেট কাঠামোকে দুর্বল করবে।
মূল্যস্ফীতির কারণে বাজেটে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিক্রয় হ্রাসের বিষয়টি প্রতিফলিত না হওয়ার সমালোচনা করেন হিসাবরক্ষক জিয়া হাসান। আইসিএমএ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মাহতাব উদ্দিন আহমেদ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, সরকারের অবহেলার কারণে পুঁজিবাজার ধসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
তৃতীয় লিঙ্গের অধিকারকর্মী সঞ্জীবনী বলেন, বাজেটে তাদের জন্য বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে তাদের জীবনমান বা কর্মসংস্থানের উন্নতি হচ্ছে না। বৈষম্যের কারণে নিজের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার ও প্রতিষ্ঠানের আরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।
মতামত দিন