শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার শিকার সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারের বড় বোনের শিক্ষা ও কল্যাণের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার রাতের মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে পল্লবীতে নিহত শিশুটির পরিবারের বাসায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, নিহত শিশুটির বেঁচে থাকা বড় বোনের শিক্ষা, চিকিৎসা ও অন্যান্য ব্যয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকার নেবে বলে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেন।
পরিবারের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অন্যায়ের বিচার আগে নিশ্চিত করতে চাই। একটি সন্তানকে আল্লাহ নিয়ে গেছেন, আরেক সন্তান আপনাদের কাছে আছে। তার দিকে তাকিয়ে আপনাদের শক্ত থাকতে হবে।”
এ সময় আইনমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসা আক্তারের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
ঘটনার পর একই দিনে পল্লবী থানায় মামলা হয়। তদন্তে পুলিশ পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) গ্রেপ্তার করে।
পরে সোহেল রানা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং হত্যার দায় স্বীকার করেন বলে জানায় পুলিশ। আদালতের নির্দেশে দুজনকেই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করলেও বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে