জাতীয় ঈদগাহে মানুষের ঢল, জামাতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে আটটায় হাইকোর্ট সংলগ্ন মাঠে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেও হাজার হাজার মানুষ ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হন। জামাতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিসভার সদস্য, রাজনীতিবিদ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। বিকল্প ইমাম হিসেবে প্রস্তুত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ঈদগাহে আসতে শুরু করেন। অনেকেই নতুন পাঞ্জাবি ও টুপি পরে হাতে জায়নামাজ নিয়ে নামাজে অংশ নিতে আসেন। শিশু-কিশোররাও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে ঈদের জামাতে অংশ নেয়।
ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান ফটকে আর্চওয়ে বসানো হয় এবং মুসল্লিদের সারিবদ্ধভাবে প্রবেশ করতে হয়। ময়দানে ত্রিপল বিছিয়ে তার ওপর সাদা কাপড় দিয়ে নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।
নারী মুসল্লিদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান, অজুর ব্যবস্থা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থাও রাখা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রধান জামাতকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে। পল্টন মোড়, মৎস্য ভবন, বঙ্গবাজার ও দোয়েল চত্বর এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। ফলে ঈদগাহে পৌঁছাতে মুসল্লিদের কিছুটা পথ হেঁটে যেতে হয়েছে।
এদিকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ঈদের পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টায়, তৃতীয় জামাত সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম জামাত সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে