Views Bangladesh Logo

পর্তুগাল ০ - স্পেন ০

পর্তুগাল-স্পেন ফিফা বিশ্বকাপ: লাইভ স্কোর এবং সর্বশেষ অবস্থা

Sports Desk

ক্রীড়া ডেস্ক

৯০+৬ মিনিট | পর্তুগালকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

রেফারির শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে শেষ হলো ইউরোপের দুই পরাশক্তির রুদ্ধশ্বাস লড়াই। শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ১-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণ তৈরিতে এগিয়ে ছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। যদিও প্রথমার্ধের শেষ দিকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জোয়াও ফেলিক্সের আক্রমণে বেশ কয়েকবার চাপে পড়তে হয়েছিল স্প্যানিশ রক্ষণকে।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলায় পরিষ্কার গোলের সুযোগ খুব একটা তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই ৯০+১ মিনিটে ফেরান তোরেসের নিখুঁত পাস থেকে মিকেল মেরিনো দুর্দান্ত ফিনিশে জালের দেখা পান। শেষ কয়েক মিনিটে সমতায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালায় পর্তুগাল, কিন্তু স্পেনের রক্ষণভাগ কোনো সুযোগ দেয়নি। শেষ পর্যন্ত এক গোলের ব্যবধানের এই জয়েই শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে স্পেন।


৯০+১ মিনিট | ফেরান তোরেসের পাসে মেরিনোর গোলে এগিয়ে স্পেন

শেষ মুহূর্তে দুর্দান্ত এক দলীয় আক্রমণ থেকে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আদায় করে নেয় স্পেন। আক্রমণের মূল কারিগর ছিলেন ফেরান তোরেস। চমৎকার দক্ষতায় পর্তুগালের রক্ষণভাগ ভেঙে নিখুঁত একটি পাস বাড়িয়ে দেন তিনি। সেই বল ধরে দারুণ টাইমিংয়ে বক্সের মাঝখানে ঢুকে পড়েন মিকেল মেরিনো। কোনো ভুল না করে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান তিনি। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই এই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন, আর চাপে পড়ে যায় পর্তুগাল।


৯০+১ মিনিট | গোল! শেষ মুহূর্তে এগিয়ে গেল স্পেন

নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পেল স্পেন। দারুণ এক দলীয় আক্রমণে পর্তুগালের রক্ষণভাগ ভেঙে বল পৌঁছে যায় বদলি হিসেবে নামা এক খেলোয়াড়ের কাছে। সুযোগটি একদমই নষ্ট করেননি তিনি। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়ান এবং শেষ মুহূর্তে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন স্পেনকে। এই গোলে কোয়ার্টার ফাইনালের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।



৮৯ মিনিট | হলুদ কার্ড দেখলেন বের্নার্দো সিলভা

মাঠে নামার পরপরই রেফারির খাতায় নাম উঠল পর্তুগালের বের্নার্দো সিলভার। একটি ফাউল ও পরবর্তী আচরণের কারণে তাকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। বদলি হিসেবে নেমেই এমন সতর্কবার্তা পাওয়ায় ম্যাচের বাকি সময়ে তাকে আরও সংযত থেকে খেলতে হবে, বিশেষ করে অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে।


৯০+১ মিনিট | যোগ করা হলো ৬ মিনিট

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ম্যাচে আরও অন্তত ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করেছেন চতুর্থ কর্মকর্তা। এখনও গোলশূন্য রয়েছে পর্তুগাল-স্পেনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই সময়ের মধ্যেই যদি কোনো দল জয়সূচক গোল করতে না পারে, তবে ম্যাচ গড়াবে অতিরিক্ত সময়ে। শেষ কয়েক মিনিটে দুই দলই সর্বশক্তি দিয়ে জয়ের গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে উঠবে।



৮৫ মিনিট | স্পেনের জোড়া পরিবর্তন, মাঠ ছাড়লেন পেদ্রি ও দানি ওলমো

ম্যাচের শেষ দিকে নতুন গতি আনতে জোড়া পরিবর্তন করেছেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। মাঝমাঠে দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করার পর মাঠ ছেড়েছেন পেদ্রি ও দানি ওলমো। তাদের পরিবর্তে নামানো হয়েছে দুই সতেজ খেলোয়াড়কে, যাতে শেষ মুহূর্তে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে জয়ের গোল খুঁজে পাওয়া যায়। গোলশূন্য ম্যাচে কোচের এই কৌশলগত পরিবর্তন শেষ ভাগে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।


৬৮ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধে হাইড্রেশন ব্রেক

তীব্র গরমের কারণে ৬৮তম মিনিটে আবারও খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ করে নির্ধারিত হাইড্রেশন ব্রেকের নির্দেশ দেন রেফারি। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই বেশ ছন্দে খেললেও প্রথমার্ধের মতো পরিষ্কার গোলের সুযোগ খুব একটা তৈরি হয়নি। মাঝমাঠের লড়াই ও বল দখলের প্রতিযোগিতাই বেশি চোখে পড়ছে। এই বিরতিতে কৌশলগত নির্দেশনা দিয়ে শেষ ভাগের জন্য দলকে প্রস্তুত করছেন দুই কোচ।



৫৮ মিনিট | অফসাইড, হতাশ রোনালদো

৫৮তম মিনিটে স্পেনের জালে বল পাঠানোর সুযোগ তৈরি করেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে স্প্যানিশ রক্ষণভাগের পেছনে দৌড় শুরু করতে গিয়েই সামান্য এগিয়ে পড়েন তিনি। সহকারী রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই অফসাইডের পতাকা তোলেন, ফলে পর্তুগালের সম্ভাবনাময় আক্রমণটি সেখানেই থেমে যায়। অল্পের জন্য সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ দেখা যায় পর্তুগিজ অধিনায়ককে।


৫৬ মিনিট | চোট নিয়ে মাঠ ছাড়লেন নুনো মেন্দেস

৫৬তম মিনিটে পর্তুগালের জন্য বড় ধাক্কা। স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে দারুণভাবে সামলাচ্ছিলেন নুনো মেন্দেস। তবে চোট পেয়ে আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি এই লেফট-ব্যাক। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পরও অস্বস্তি কাটেনি, ফলে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। তার পরিবর্তে নামানো হয়েছে অভিজ্ঞ নেলসন সেমেদোকে। মেন্দেসের অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের বাম প্রান্ত কতটা দুর্বল হয়ে পড়ে, সেটাই এখন ম্যাচের অন্যতম বড় প্রশ্ন।


৪৬ মিনিট | দ্বিতীয়ার্ধ শুরু, একাদশে পরিবর্তন নেই

বিরতি শেষে আবারও মাঠে নেমেছে পর্তুগাল ও স্পেন। রেফারির বাঁশির সঙ্গে শুরু হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হলেও দুই দলই একাধিক ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে বিরতিতে কোনো পরিবর্তন আনেননি দুই কোচ। এখন দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মরিয়া থাকবে দুই দলই।



৪৫+৬ মিনিট | বিরতি! প্রথমার্ধে গোলশূন্য স্পেন-পর্তুগাল

ম্যাচের শুরুতে বলের দখলে এগিয়ে ছিল স্পেন। অষ্টম মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে সহজ সুযোগ পেলেও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন মিকেল ওইয়ারসাবাল। শুরুর চাপ সামলে ম্যাচে ফেরে পর্তুগাল। ১২তম মিনিটে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন উনাই সিমন। ১৬তম মিনিটে পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তা লামিন ইয়ামাল ও আলেহান্দ্রো বায়েনার পরপর দুটি শট রুখে দিয়ে দলকে রক্ষা করেন।

৩৭তম মিনিটে রোনালদোর আরেকটি প্রচেষ্টা সিমন আটকে দেন। আর ৪১তম মিনিটে নুনো মেন্দেসের দিক বদলে যাওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে গোল হজমের হাত থেকে বেঁচে যায় স্পেন।যোগ করা সময়েও কোনো দল গোলের দেখা না পাওয়ায় প্রথমার্ধ শেষ হয় ০-০ সমতায়।



৪৫+১ মিনিট | প্রথমার্ধে যোগ করা হলো ৬ মিনিট

নির্ধারিত ৪৫ মিনিট শেষ হওয়ার পর প্রথমার্ধে আরও অন্তত ৬ মিনিট অতিরিক্ত সময় যোগ করেছেন চতুর্থ রেফারি। গোলশূন্য থাকলেও ম্যাচে উত্তেজনার কোনো কমতি নেই। স্পেন বলের দখল ও সুযোগ সৃষ্টিতে এগিয়ে থাকলেও পর্তুগালও পাল্টা আক্রমণে বেশ কয়েকবার হুমকি দিয়েছে। বিরতিতে যাওয়ার আগে এই অতিরিক্ত সময়ে দুই দলই গোলের দেখা পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


৩৯ মিনিট | রোনালদোর অ্যাক্রোবেটিক প্রচেষ্টা, বাঁচালেন স্পেনের গোলরক্ষক

৩৯তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল পর্তুগাল। মাঝমাঠ থেকে নিচে নেমে আক্রমণের সূচনা করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এরপর জোয়াও ফেলিক্সের শক্তিশালী হেড দুর্দান্ত দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। রিবাউন্ড বল পেয়ে বক্সের ভেতর অসাধারণ এক অ্যাক্রোবেটিক শট নেন রোনালদো, কিন্তু সিমন আবারও অসাধারণ প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে বল ঠেকিয়ে দেন। টানা দুটি দুর্দান্ত সেভে নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে স্পেনকে স্বস্তি এনে দেন এই গোলরক্ষক।



৩৫ মিনিট | ফাউল, ফ্রি-কিক পেল পর্তুগাল

৩৫তম মিনিটে আক্রমণ গড়তে গিয়ে জোয়াও ফেলিক্সকে থামাতে গিয়ে ফাউল করেন লামিনে ইয়ামাল। বল দারুণভাবে শরীর দিয়ে আড়াল করে ফাউল আদায় করে নেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। ফলে নিজেদের অর্ধে দীর্ঘ সময় চাপে থাকার পর কিছুটা স্বস্তি নিয়ে ফ্রি-কিক থেকে আক্রমণ সাজানোর সুযোগ পেল পর্তুগাল। স্পেনের রক্ষণভাগকে এবার সতর্ক থাকতে হবে, কারণ সেট-পিস থেকে বিপদ তৈরি করতে পারে পর্তুগিজরা।


২৪ মিনিট | হাইড্রেশন ব্রেক, এখন পর্যন্ত স্পেনেরই দাপট

২৪তম মিনিটে তীব্র গরমের কারণে খেলা সাময়িকভাবে থামিয়ে নির্ধারিত হাইড্রেশন ব্রেকের নির্দেশ দেন রেফারি। হাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত বলের দখল ও আক্রমণ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। অন্যদিকে পর্তুগাল এখনও নিজেদের ছন্দ খুঁজে ফিরছে।



১৬ মিনিট | ইয়ামালের ঝড়ো আক্রমণে কাঁপল পর্তুগাল


১৬তম মিনিটে ম্যাচের সেরা সুযোগগুলোর একটি তৈরি করে স্পেন। ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যান লামিনে ইয়ামাল। সে সময় পর্তুগালের লেফট-ব্যাক নুনো মেন্দেস অনেকটা ওপরে উঠে থাকায় রক্ষণে বড় ফাঁক তৈরি হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে স্পেন টানা দুটি গোলের সুযোগ সৃষ্টি করলেও শেষ পর্যন্ত পর্তুগালের রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় বল জালে জড়াতে পারেনি। বড় ধরনের বিপদ কাটিয়ে আপাতত স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে পর্তুগাল।


প্রথম মিনিট | শুরু হলো পর্তুগাল-স্পেন লড়াই


রেফারির বাঁশির সঙ্গে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের বহুল প্রতীক্ষিত শেষ ষোলোর লড়াই। মুখোমুখি হয়েছে আইবেরিয়ান দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল ও স্পেন। ম্যাচের প্রথম মুহূর্ত থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবলের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে কোনো ভুলের সুযোগ নেই, তাই শুরু থেকেই জমে উঠেছে ইউরোপের দুই পরাশক্তির এই মহারণ।


ডালাসে মহারণ: শেষ ষোলোয় পর্তুগাল-স্পেনের শুরুর একাদশ ঘোষণা


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ১৬-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই ফুটবল পরাশক্তি স্পেন এবং পর্তুগাল। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার এই বাঁচা-মরার লড়াইকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই প্রতিবেশীর এই দ্বৈরথকে ফুটবল বিশ্বে ‘আইবেরিয়ান ডার্বি’ হিসেবে গণ্য করা হয়, যা মাঠের লড়াইয়ে সবসময়ই বাড়তি উন্মাদনা ছড়ায়।


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় আজ ডালাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পর্তুগাল ও স্পেন। কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করতে দুই দলই ঘোষণা করেছে নিজেদের শুরুর একাদশ।



পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজ ৪-২-৩-১ ফরমেশনে দল সাজিয়েছেন। গোলবারের নিচে থাকছেন দিয়োগো কোস্তা। রক্ষণে আছেন জোয়াও কানসেলো, রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা ও নুনো মেন্দেস।

মাঝমাঠে ডাবল পিভট হিসেবে খেলবেন ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেস। আক্রমণভাগে সৃজনশীলতার দায়িত্বে থাকছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। দুই উইংয়ে থাকবেন জোয়াও ফেলিক্স ও পেদ্রো নেতো। একক স্ট্রাইকার হিসেবে থাকছেন অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।



বেঞ্চে রয়েছেন বার্নার্দো সিলভা, রাফায়েল লেয়াও, গনসালো রামোস, দিয়োগো দালোত, রুবেন নেভেসসহ আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার।

অন্যদিকে স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও ৪-২-৩-১ ফরমেশন বেছে নিয়েছেন। গোলরক্ষক হিসেবে খেলছেন উনাই সিমন। রক্ষণে রয়েছেন পেদ্রো পোরো, পাউ কুবার্সি, আইমেরিক লাপোর্তে ও মার্ক কুকুরেয়া।

মাঝমাঠে দলের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করবেন রদ্রি ও পেদ্রি। আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডে থাকছেন দানি ওলমো, তার সঙ্গে দুই পাশে খেলবেন আলেক্স বায়েনা ও তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। একক ফরোয়ার্ড হিসেবে দায়িত্বে থাকছেন মিকেল ওইয়ারসাবাল।

স্পেনের বেঞ্চে রয়েছেন নিকো উইলিয়ামস, গাভি, ফাবিয়ান রুইস, ফেরান তোরেস ও মিকেল মেরিনোসহ একাধিক ম্যাচজয়ী ফুটবলার।


রোনালদোর লাস্ট ড্যান্স
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফুটবলে জেতার মতো প্রায় সবকিছুই জিতেছেন। শুধু সবচেয়ে বড় শিরোপাটিই এখনো অধরা। ৪১ বছর বয়সে এসে এটাই তাঁর শেষ সুযোগ। কারণ, তিনি নিজেই জানিয়েছেন—এটাই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ। তাহলে কি রূপকথার মতো এক সমাপ্তি অপেক্ষা করছে রোনালদোর জন্য নাকি আজ রাতেই লেখা হবে বিদায়ী এপিটাফ।




পর্তুগালের শুরুর একাদশ


দিয়োগো কস্তা; রুবেন দিয়াস, রেনাতো ভেইগা, জোয়াও ক্যানসেলো, নুনো মেন্ডেস; ব্রুনো ফার্নান্দেজ, জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া; ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, জোয়াও ফেলিক্স, পেদ্রো নেতো।

স্পেনের শুরুর একাদশ


উনাই সিমন; পেদ্রো পোরো, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাও কুবার্সি, মার্ক কুকুরেয়া; অ্যালেক্স বায়েনা, রদ্রি, পেদ্রি; দানি ওলমো, লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারসাবাল।


বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্পেন ও পর্তুগালের দেখা হয়েছে মাত্র দুইবার। ২০১০ সালের শেষ ষোলোতে ডেভিড ভিয়ার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জিতে স্পেন, যারা পরে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপও জেতে। আর ২০১৮ সালের গ্রুপ পর্বে রোনালদোর অবিশ্বাস্য হ্যাটট্রিকের ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হয়। ফলে বিশ্বকাপে এখনও স্পেনের বিপক্ষে জয়ের স্বাদ পায়নি পর্তুগাল।

তবে এবারের লড়াইয়ে বাড়তি রোমাঞ্চ যোগ করেছে সাম্প্রতিক ইতিহাসও। গত মৌসুমে উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালে টাইব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল পর্তুগাল। ফলে স্পেনের সামনে প্রতিশোধের সুযোগ, আর পর্তুগালের সামনে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে শেষ আটে ওঠার হাতছানি।

অভিজ্ঞতা বনাম তারুণ্য, রোনালদো বনাম ইয়ামাল—সব মিলিয়ে আজকের আইবেরিয়ান ডার্বি বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হওয়ার সব উপকরণই নিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ