Views Bangladesh Logo

পুলিশ সদস্যের মাতলামি, টোলের টাকা নদীতে ফেলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের পাঁচ নম্বর খেয়াঘাটে পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় ভাঙচুর, টোলের টাকা নদীতে ফেলে দেওয়া এবং নেচে-গেয়ে মাতলামির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ওই পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে দুই সদস্যের কমিটি।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যের নাম মান্নান। তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ শহরের পাঁচ নম্বর খেয়াঘাট এলাকায় এএসআই মান্নান মাতলামি শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি নাচ-গান করতে থাকেন এবং খেয়াঘাটে ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। টোল আদায়ের টাকা নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ সময় তাকে ঘিরে স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শনিবার তাকে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামানকে প্রধান এবং উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ পাটোয়ারীকে সদস্য করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এএসআই মান্নান মানসিক রোগে আক্রান্ত এবং চিকিৎসাধীন। তিনি প্রায় ২০ দিন আগে নারায়ণগঞ্জ সদর নৌ থানায় যোগ দেন। এর আগে র‌্যাব-৩-এ কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় খেয়াঘাটে তাকে মাতলামি করতে দেখে পরে পুলিশ তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসে।

নারায়ণগঞ্জ নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। এএসআই মান্নান নেশা করেছিলেন নাকি তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত—তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ