Sherpur incident
শেরপুরের ঘটনায় ঢালাও গ্রেপ্তার নয়, দায়ীদের শনাক্তে কাজ চলছে
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াত নেতা রেজাউল করিম নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ ঘটনার প্রকৃত দায়ীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে। প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, ঢালাও গ্রেপ্তার না করে প্রকৃত অপরাধীদের সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ, তথ্য ও সাক্ষ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্ত করা হচ্ছে। নিহত রেজাউল করিমের দাফনের পর পুলিশ তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলবে। পরিবার মামলা করলে এজাহারের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হবে, না হলে পুলিশ নিজ দায়িত্বে ব্যবস্থা নেবে।
আজাদ মজুমদার বলেন, কালকের ঘটনার সময় সেখানে অনেক মানুষ ছিল। আমরা ঢালাও গ্রেপ্তার অভিযান করছি না, বরং যারা প্রকৃত দায়ী তাদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেউ অযথা হয়রানির শিকার হবেন না, প্রকৃত অপরাধীরা যেন ছাড় না পায়।
অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এটি সুনির্দিষ্টভাবে বলা সম্ভব নয়।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এখনো সহিষ্ণুতা রয়েছে। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও তা অস্বীকার করা যায় না।
তিনি জানান, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর থেকে পুলিশ হিসেবে চারজন মারা গেছেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের তুলনায় এখনো সহিংসতা অনেক কম, এবং রাজনৈতিক দলগুলো সচেতন ও আইন মেনে চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে এবং ধারাবাহিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে