Views Bangladesh Logo

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক বৈঠক চলছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মোস্তফা জুলফিকার হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে চলতি অর্থবছরের উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, নতুন প্রকল্প গ্রহণ এবং সংশোধিত প্রকল্পের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠক শেষে বিকেল ৩টায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং করবেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি।

এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত চলতি অর্থবছরের তৃতীয় একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ওই বৈঠকে তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্পের পাশাপাশি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর প্রকল্পও অনুমোদন পায়।

ওই বৈঠকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ছিল ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। প্রকল্প ঋণ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা জোগানের কথা ছিল। অনুমোদিত ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সাতটি ছিল নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প।

সর্বশেষ ওই বৈঠকের অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত ছিল মেট্রোরেল খাতে তিনটি প্রকল্প। গাবতলী থেকে দাশেরকান্দি পর্যন্ত ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট নির্মাণে ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ের নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার অংশ পাতালপথে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পে সরকারের অর্থায়ন থাকবে ১৫ হাজার ১৯৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল থেকে ঋণ হিসেবে আসবে ৩০ হাজার ৩০৬ কোটি ১০ লাখ টাকা।

একই বৈঠকে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং নতুন বাজার থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত উড়াল শাখাসহ এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ২০১৯ সালে প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয় ছিল ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। একইভাবে হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত এমআরটি লাইন-৫ নর্দার্ন রুটের সংশোধিত ব্যয় বেড়ে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা হয়েছে।

এর পাশাপাশি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর সেকশনে বৈদ্যুতিক ট্র্যাকশন বাস্তবায়নে ৩ হাজার ৮২২ কোটি ৫১ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি জানিয়েছিলেন, এই রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর লক্ষ্য ২০৩১ সাল।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ