শিগগিরই সংসদে উঠছে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন’
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘বাংলাদেশে ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা আইন করা হচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণের উপাত্ত সুরক্ষার জন্য এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।’
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে রবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান অ্যাকজেনটেকের প্রথম বাণিজ্যিক টায়ার-৪ এর ডাটা সেন্টার 'সাইফার' উদ্বোধন করে এ তথ্য জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন আইন হলে বাংলাদেশে সাইফারের মতো বিশ্বমানের বাণিজ্যিক ডাটা সেন্টারের লাভজনক ব্যবসার ক্ষেত্র উন্মোচিত হবে।’
রবিকে অনুসরণ করে অন্যদেরও ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।
অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ডাটা সেন্টারটি যশোরে শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে অবস্থিত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জি এস এম জাফরউল্লাহ্ এনডিসি। এতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাকজেনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন, রবির এমডি ও সিইও রাজীব শেঠি, রবির চিফ কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অ্যাকজেনটেক পিএলসির এই সাইফার দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের প্রিমিয়ার ডাটা সেন্টার হিসেবে সর্বোচ্চ নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও কার্যকর আস্থার নিশ্চয়তা দেয় সাইফার। ডিজিটাল ক্ষেত্রে যা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
১৬ হাজার ৫০০ বর্গফুটের সাইফার ভবনটিতে আছে পাওয়ার ব্যাকআপ, অ্যাডভান্সড কুলিং মেশিনারিসহ অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সাইফার কাজ করে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। ডিজিটাল অবকাঠামোর মান নিরূপণে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত সংস্থা আপটাইম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে সম্মানজনক টিয়ার ফোর সনদ অর্জন করেছে সাইফার।
নিরবিচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুতসহ অন্যান্য সব প্রযুক্তি নিশ্চিত করা হয়েছে সাইফারে। এ ছাড়াও ৯৯.৯৯৫% আপটাইম বিশিষ্ট সাইফারে আছে বায়োমেট্রিক একসেস কন্ট্রোলের মতো মিলিটারি গ্রেড সিকিউরিটি। সাইবার হুমকিসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে যথাযথ ব্যবস্থা।
নিরাপদ, নির্ভার ব্যবসা নিশ্চিত করার শঙ্কাহীন কো লোকেশন প্ল্যাটফরম হিসেবে সাইফার নিজের সেরাটা দিতে বদ্ধপরিকর। ডিজিটাল যুগে নির্ভরযোগ্য ও ভরসার প্রতীক হয়ে নিরবিচ্ছিন্ন কাজ করে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় সাইফার।
অ্যাজেনটেক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আদিল হোসেন বলেন, ‘স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে সাইফার একটি মাইলফলক। বড় পরিসরে ডাটা সেন্টারের অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে দেশের কারিগরি উৎকর্ষের জন্য স্মার্ট ডাটা
ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে সাইফার। ডাটা সেন্টার স্থাপনে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য মন্ত্রী, আইসিটি বিভাগ, বিএইচটিপিএ এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’
রবি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও রাজীব শেঠি বলেন, ‘সাইফার এর যাত্রা শুরু হওয়াটা বাংলাদেশের স্মার্ট উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি দারুণ পদক্ষেপ। রবি বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। সাইফারের যাত্রা রবির সেই প্রতিশ্রুতিকেই তুলে ধরে। রবির সহযোগিতায় অ্যাকজেনটেক পিএলসি দেশকে ডিজিটাল সম্ভাবনার দিকে নিতে প্রযুক্তিগত সমাধান উদ্ভাবনের জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত।’

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে