মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল, ফিরল ২০০৯ সালের আইন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশ বাতিল করে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রবর্তন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে সংস্থাটির ২০০৯ সালের মূল আইনটি আবারও কার্যকর হলো।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে বিলটি পাস হয়।
এর আগে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বিলটি আলোচনার জন্য সংসদে উত্থাপন করেন। একই সাথে তিনি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় এবং বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্দেশ্যে আরও দুটি বিল পেশ করেন। সংসদীয় কমিটির পর্যালোচনার সময় এসব অধ্যাদেশ বাতিলের বিষয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা আপত্তি জানিয়ে 'নোট অফ ডিসেন্ট' বা ভিন্নমত প্রদান করলেও শেষ পর্যন্ত তা সংখ্যাগরিষ্ঠের সমর্থনে গৃহীত হয়।
একই অধিবেশনে নির্বাচন কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল (সংশোধন) বিল-২০২৬’ সংশোধনসহ আরও ছয়টি বিল পাস করা হয়েছে। পাস হওয়া অন্যান্য বিলগুলোর মধ্যে নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ, ভোটার তালিকা ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিশেষ বিধান সংক্রান্ত আইনগুলো উল্লেখযোগ্য। এছাড়া জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন বিধান রহিতকরণ এবং বাংলাদেশ ল অফিসার্স আইনের সংশোধনী বিলও কোনো পরিবর্তন ছাড়াই পাস হয়।
অধিবেশনে উত্থাপিত মোট সাতটি বিলই বিস্তারিত কোনো আলোচনা বা সংশোধন ছাড়াই কণ্ঠভোটে পাস হয়।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে