টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ইতিহাসের সর্বনিম্নে পাকিস্তান, ষষ্ঠ স্থানে বাংলাদেশ
ইংল্যান্ডের কাছে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর র্যাঙ্কিংয়েও বড় ধাক্কা খেয়েছে পাকিস্তান। সিরিজে ব্যর্থতার কারণে এক ধাপ পিছিয়ে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের নবম স্থানে নেমে গেছে দলটি। টেস্ট ইতিহাসে এর আগে কখনো এত নিচে নামেনি পাকিস্তান।
হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে হারের পর লর্ডস ও এজবাস্টনেও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পাকিস্তান। দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে এবং তৃতীয় টেস্টে ৮ উইকেটে হেরে সিরিজ শেষ করেছে তারা। এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্ট শেষ হওয়ার পর আইসিসির হালনাগাদ র্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তানের রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৭১।
পাকিস্তানের পতনে এক ধাপ উন্নতি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৭৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ক্যারিবীয় দলটি এখন টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের অষ্টম স্থানে। অর্থাৎ পাকিস্তানের সঙ্গে শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজের অবস্থান অদলবদল হয়েছে।
এদিকে ৬৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে র্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। টেস্টে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে দুই দলের পথও যেন আলাদা। মে মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই টেস্টেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সিরিজের দুই ম্যাচই পাঁচ দিনে শেষ হয়। বাংলাদেশ জেতে যথাক্রমে ১০৪ ও ৭৮ রানে।
এরপর জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারের ধাক্কা সামলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে দুই টেস্টের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে বাংলাদেশ। সেই পারফরম্যান্সের সুবাদে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে নিজেদের ষষ্ঠ অবস্থান পুনরুদ্ধার করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে পাকিস্তান দুই টেস্টের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করেছিল। ওই সিরিজ দিয়েই তিন বছর পর টেস্ট নেতৃত্বে ফেরেন বাবর আজম। তবে ইংল্যান্ড সফরে গিয়ে তিন ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হেরে পাকিস্তানের র্যাঙ্কিংয়ের অবনতি আরও স্পষ্ট হয়েছে।
বর্তমান টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ১২৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকা ১১৯, নিউজিল্যান্ড ১০৬, ভারত ১০৫ এবং ইংল্যান্ড ১০২ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে আছে। দশম স্থানে থাকা জিম্বাবুয়ের রেটিং পয়েন্ট ১৭।
মতামত দিন